

বদরুজ্জামান জামান, প্যারিস থেকে

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিবাদী কবিতাপাঠ। গত শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় 'প্রতিবাদী কবিতা পাঠের আয়োজন করে সাহিত্যের ছোটোকাগজ 'স্রোত'।
স্রোত সম্পাদক কবি বদরুজ্জামান জামানের সঞ্চালনায় প্রতিবাদী কবিতাপাঠ, গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে স্বরচিত কবিতাপাঠ এবং আলোচনায় অংশ নেন আবৃত্তিশিল্পী মুনির কাদের, আবৃত্তিশিল্পী আবু বকর আল আমিন, কবি ও ছড়াকার লোকমান আহমেদ আপন, কবি বদরুজ্জামান জামান, সংগীতশিল্পী কুমকুম সাইদা, কবি সোহেল আহমেদ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, পুঁথিকবি কাব্য কামরুল, ফরাসি থিয়েটার কর্মী সোয়েব মোজাম্মেল, সাহিত্যানুরাগী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, কবি সেলিম উদ্দিন, সাংবাদিক নাজমুল হক, সাদিকুর রহমান সুমন, উজ্জ্বল খান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে পঠিত কবিতায় প্রতিবাদ, গাজার ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আর বিশ্বমোড়লদের প্রতি আহবান ফুটে উঠেছে এভাবে-‘বোমার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত দেহ, রক্তাক্ত আদম সন্তানদের দিকে চেয়ে আছে গাজার ধ্বংসযজ্ঞ, বৃষ্টিহীন রক্তের স্রোতধারা দেখে কাঁদছে পাথরের পাহাড়।
শতাব্দীর নির্মমতা ঘাতকদের মুহুর্মুহু ছোড়া বোমার আঘাতে গাজায় বইছে কিয়ামত, কেউ দেখছে, কেউ না দেখার ভান করছে
আবার কেউ কেউ এগিয়ে দিচ্ছে ঘাতক মরণাস্ত্র,
এভাবেই বাড়ছে রক্ত, লাশ আর ধ্বংস-উল্লাস।’
‘আজ আমাদের ঘাড়ে এই রক্ত আর লাশের বোঝা, আমরা প্রতিবাদীন
আমাদের পাপ আর দুষ্কর্মের ভার বহন করে চিৎকার করে কাঁদবে প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।’
‘যে কথা আজ এখনই আমাদের বলতেই হবে। ইসরায়েলের পরমাণু শক্তিতে বিপন্ন বিশ্বশান্তি। রক্তখেকো দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মুহূর্ত অতিক্রান্ত হলে বড় বেশি দেরি হয়ে যাবে।’

‘গাজার ভয়ংকর গণহত্যা আর ধ্বংসের এমন কিয়ামতে দেখে চরম নিস্তব্ধতা ভেঙে জেগে উঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে মানুষ আর মানবতাকে আহ্বান জানানো হচ্ছে বিশ্ববিবেক বিশ্ব মোড়লদের। না হয় মানবতার এই চরম বিপন্নতায় আগামীর পৃথিবীতে মানুষ ফেরারি হয়ে যাবে। গাজার নাম মুছে দেওয়ার ঘোষণা এ কোন হিংস্র অধিকার? আশ্রিত ভূখন্ডে যুগ-যুগান্তর চলছে এ কেমন হত্যাযজ্ঞ ধ্বংসলীলা? ঘৃণাহীন নিয়ন্ত্রণহীন দিব্যি বিশ্বমোড়ল এমন নিষ্ক্রিয়তায় আমাদের ঘৃণাস্তূপে জাগতিক পরাবাস্তব কাহিনী মাড়িয়ে চলছে নির্লজ্জ বেহায়ার দল।’
‘আসুন, এই ভয়ংকর অপরাধের জবাবদিহি চাই আর বিপন্ন মানবতাকে উদ্ধারে আমরা মানুষ রক্তাক্ত প্রতিবাদে উজ্জীবিত হই। ফিলিস্তিনি শিশুদের সুন্দর পৃথিবী আর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।’

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিবাদী কবিতাপাঠ। গত শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় 'প্রতিবাদী কবিতা পাঠের আয়োজন করে সাহিত্যের ছোটোকাগজ 'স্রোত'।
স্রোত সম্পাদক কবি বদরুজ্জামান জামানের সঞ্চালনায় প্রতিবাদী কবিতাপাঠ, গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে স্বরচিত কবিতাপাঠ এবং আলোচনায় অংশ নেন আবৃত্তিশিল্পী মুনির কাদের, আবৃত্তিশিল্পী আবু বকর আল আমিন, কবি ও ছড়াকার লোকমান আহমেদ আপন, কবি বদরুজ্জামান জামান, সংগীতশিল্পী কুমকুম সাইদা, কবি সোহেল আহমেদ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, পুঁথিকবি কাব্য কামরুল, ফরাসি থিয়েটার কর্মী সোয়েব মোজাম্মেল, সাহিত্যানুরাগী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, কবি সেলিম উদ্দিন, সাংবাদিক নাজমুল হক, সাদিকুর রহমান সুমন, উজ্জ্বল খান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে পঠিত কবিতায় প্রতিবাদ, গাজার ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আর বিশ্বমোড়লদের প্রতি আহবান ফুটে উঠেছে এভাবে-‘বোমার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত দেহ, রক্তাক্ত আদম সন্তানদের দিকে চেয়ে আছে গাজার ধ্বংসযজ্ঞ, বৃষ্টিহীন রক্তের স্রোতধারা দেখে কাঁদছে পাথরের পাহাড়।
শতাব্দীর নির্মমতা ঘাতকদের মুহুর্মুহু ছোড়া বোমার আঘাতে গাজায় বইছে কিয়ামত, কেউ দেখছে, কেউ না দেখার ভান করছে
আবার কেউ কেউ এগিয়ে দিচ্ছে ঘাতক মরণাস্ত্র,
এভাবেই বাড়ছে রক্ত, লাশ আর ধ্বংস-উল্লাস।’
‘আজ আমাদের ঘাড়ে এই রক্ত আর লাশের বোঝা, আমরা প্রতিবাদীন
আমাদের পাপ আর দুষ্কর্মের ভার বহন করে চিৎকার করে কাঁদবে প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।’
‘যে কথা আজ এখনই আমাদের বলতেই হবে। ইসরায়েলের পরমাণু শক্তিতে বিপন্ন বিশ্বশান্তি। রক্তখেকো দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মুহূর্ত অতিক্রান্ত হলে বড় বেশি দেরি হয়ে যাবে।’

‘গাজার ভয়ংকর গণহত্যা আর ধ্বংসের এমন কিয়ামতে দেখে চরম নিস্তব্ধতা ভেঙে জেগে উঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে মানুষ আর মানবতাকে আহ্বান জানানো হচ্ছে বিশ্ববিবেক বিশ্ব মোড়লদের। না হয় মানবতার এই চরম বিপন্নতায় আগামীর পৃথিবীতে মানুষ ফেরারি হয়ে যাবে। গাজার নাম মুছে দেওয়ার ঘোষণা এ কোন হিংস্র অধিকার? আশ্রিত ভূখন্ডে যুগ-যুগান্তর চলছে এ কেমন হত্যাযজ্ঞ ধ্বংসলীলা? ঘৃণাহীন নিয়ন্ত্রণহীন দিব্যি বিশ্বমোড়ল এমন নিষ্ক্রিয়তায় আমাদের ঘৃণাস্তূপে জাগতিক পরাবাস্তব কাহিনী মাড়িয়ে চলছে নির্লজ্জ বেহায়ার দল।’
‘আসুন, এই ভয়ংকর অপরাধের জবাবদিহি চাই আর বিপন্ন মানবতাকে উদ্ধারে আমরা মানুষ রক্তাক্ত প্রতিবাদে উজ্জীবিত হই। ফিলিস্তিনি শিশুদের সুন্দর পৃথিবী আর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।’
আলোচনা পর্বে ভ্যানক্যুভারে বসবাসরত একজন মুক্তিযোদ্ধাসহ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শ্রদ্ধাভাজন সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
৪ দিন আগে