
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাস জীবনের ব্যস্ততা, দূরত্ব আর চ্যালেঞ্জকে জয় করে প্রবাসী খুলনাবাসী আবারও প্রমাণ করলেন—শিকড়ের টান কখনো ফিকে হয় না। প্রবাসে পথচলার এক যুগের গৌরবময় ধারাবাহিকতায় শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহের হুদায়বিয়া হলে আয়োজিত হলো এক অনন্য ঈদ আড্ডা ও তথ্যসংগ্রহ কর্মশালা। এই হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন করে এনআরবি খুলনা, প্রবাসে থাকা খুলনাবাসীর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে সেতুবন্ধনের দায়িত্ব পালন করে আসা প্রিয় সংগঠন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর, প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম, যিনি প্রতিটি পদক্ষেপে আন্তরিকতার ছাপ রেখেছেন।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল প্রবাসী পেশাজীবীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত প্রোফাইলের সঠিক তথ্যভিত্তিক সংরক্ষণ, যা ভবিষ্যতে সামাজিক, পেশাগত ও জাতীয় প্রয়োজনে এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। প্রাণবন্ত আড্ডা, গল্প, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং প্রোফাইল তথ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। তথ্য সংগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জেসমিন আক্তার, প্রকৌশলী আল আমিন, স্থপতি শারফিন আফরোজী, আলিমা বেগম, ফৌজিয়া আক্তার ও আন্দালিব মোস্তারী পপি। সবার আন্তরিকতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ এই মিলনমেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অন্যদিকে অনুষ্ঠানের সাফল্যে আরও শক্তি জোগান ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, উদ্যোক্তা খালিদ সাইফুল্লাহ, প্রকৌশলী উদ্যোক্তা তাবিবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন, প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল কুদ্দস, আলম হোসেন, মতিউর রহমান, মনির হোসেন, ফেরদৌস হোসেন প্রমুখ। তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও সহযোগিতা ছাড়া এই মহতী আয়োজন সম্ভব হতো না।
উল্লেখ্য, এর আগে বৃহত্তর খুলনা প্রবাসীদের পক্ষ থেকে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ও কনস্যুলার অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রবাসী পেশাজীবীদের জন্য একটি বিস্তারিত দক্ষতাভিত্তিক তথ্যসূচি তৈরির আবেদন জানানো হয়েছিল। এই কর্মশালা সেই উদ্যোগেরই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা।
প্রাণের টান আর মিলনের উষ্ণতায় ভরা এই আয়োজন প্রবাসী খুলনাবাসীর মনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। প্রবাসের মাটিতেও যে শিকড়ের টান কতটা গভীর, তার অনুপম দৃষ্টান্ত হয়ে রইল এই ঈদ আড্ডা। সভা শেষে সবাই এক আনন্দময় প্রত্যাশা নিয়ে ঘরে ফেরেন—ভবিষ্যতে এমন আরও অনেক মিলনমেলার সাক্ষী হওয়ার আশায়, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই বন্ধন আরও দৃঢ় হোক। বিজ্ঞপ্তি

প্রবাস জীবনের ব্যস্ততা, দূরত্ব আর চ্যালেঞ্জকে জয় করে প্রবাসী খুলনাবাসী আবারও প্রমাণ করলেন—শিকড়ের টান কখনো ফিকে হয় না। প্রবাসে পথচলার এক যুগের গৌরবময় ধারাবাহিকতায় শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহের হুদায়বিয়া হলে আয়োজিত হলো এক অনন্য ঈদ আড্ডা ও তথ্যসংগ্রহ কর্মশালা। এই হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন করে এনআরবি খুলনা, প্রবাসে থাকা খুলনাবাসীর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে সেতুবন্ধনের দায়িত্ব পালন করে আসা প্রিয় সংগঠন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর, প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম, যিনি প্রতিটি পদক্ষেপে আন্তরিকতার ছাপ রেখেছেন।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল প্রবাসী পেশাজীবীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত প্রোফাইলের সঠিক তথ্যভিত্তিক সংরক্ষণ, যা ভবিষ্যতে সামাজিক, পেশাগত ও জাতীয় প্রয়োজনে এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। প্রাণবন্ত আড্ডা, গল্প, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং প্রোফাইল তথ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। তথ্য সংগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জেসমিন আক্তার, প্রকৌশলী আল আমিন, স্থপতি শারফিন আফরোজী, আলিমা বেগম, ফৌজিয়া আক্তার ও আন্দালিব মোস্তারী পপি। সবার আন্তরিকতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ এই মিলনমেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অন্যদিকে অনুষ্ঠানের সাফল্যে আরও শক্তি জোগান ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, উদ্যোক্তা খালিদ সাইফুল্লাহ, প্রকৌশলী উদ্যোক্তা তাবিবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন, প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল কুদ্দস, আলম হোসেন, মতিউর রহমান, মনির হোসেন, ফেরদৌস হোসেন প্রমুখ। তাঁদের নিরলস পরিশ্রম ও সহযোগিতা ছাড়া এই মহতী আয়োজন সম্ভব হতো না।
উল্লেখ্য, এর আগে বৃহত্তর খুলনা প্রবাসীদের পক্ষ থেকে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ও কনস্যুলার অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রবাসী পেশাজীবীদের জন্য একটি বিস্তারিত দক্ষতাভিত্তিক তথ্যসূচি তৈরির আবেদন জানানো হয়েছিল। এই কর্মশালা সেই উদ্যোগেরই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা।
প্রাণের টান আর মিলনের উষ্ণতায় ভরা এই আয়োজন প্রবাসী খুলনাবাসীর মনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। প্রবাসের মাটিতেও যে শিকড়ের টান কতটা গভীর, তার অনুপম দৃষ্টান্ত হয়ে রইল এই ঈদ আড্ডা। সভা শেষে সবাই এক আনন্দময় প্রত্যাশা নিয়ে ঘরে ফেরেন—ভবিষ্যতে এমন আরও অনেক মিলনমেলার সাক্ষী হওয়ার আশায়, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই বন্ধন আরও দৃঢ় হোক। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।