
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি কবি শরীফুল আলম আবারও জয়ী হয়েছেন আন্তর্জাতিক কবিতা অঙ্গনে। এবার তাঁর সম্মানটি এসেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া প্রজাতন্ত্র থেকে। দেশটির খ্যাতিসম্পন্ন সাহিত্য সংগঠন CASA POÉTICA Magia y Plumas কর্তৃক প্রদত্ত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মাননা অর্জন করে তিনি নিজের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
প্রতিযোগিতাটিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের শতাধিক কবি অংশগ্রহণ করেন। তাদের সৃষ্টিকর্মের মধ্যে থেকে বাছাই করা হয় শ্রেষ্ঠদের। শরীফুল আলমের লেখা কবিতা বিচারকমণ্ডলির কাছে উঠে আসে বিশেষ ব্যঞ্জনায়। যেখানে মানবতা, হৃদয়বোধ ও শিল্পিত শব্দচয়নের মেলবন্ধন গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।
এই সম্মাননা প্রসঙ্গে কবি শরীফুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি ও ভাষার প্রতি আমার দায়বদ্ধতা সবসময়ই আমার লেখার মূল প্রেরণা। আন্তর্জাতিকভাবে এই স্বীকৃতি পেয়ে আমি অনুপ্রাণিত ও কৃতজ্ঞ।’
বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে এই বিজয় নতুন এক দিগন্তের সূচনা বলেই মনে করছেন সমালোচকেরা। তারা বলছেন, এই ধরনের সম্মাননা শুধুই ব্যক্তিগত নয়, বরং জাতিগত অর্জন—বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা।

শরীফুল আলম শুধু একজন কবিই নন। তিনি একাধারে সাহিত্যদর্শনের বাহক ও বিশ্বসংস্কৃতির সেতুবন্ধন। তাঁর লেখা কবিতাগুলো ইতিমধ্যেই আরবি, রাশিয়ান ও ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়ে স্থানীয় সুরকারদের সুরে গীত হয়েছে। যা একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কবিতার মাধ্যমে তিনি যে ভাব ও বোধ প্রকাশ করেন, তা ভাষা ও ভৌগোলিক সীমা অতিক্রম করে পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। বাংলা কবিতাকে তিনি যেভাবে বহুভাষিক, বহুসংস্কৃতির মিলনস্থলে রূপান্তরিত করেছেন, তা নতুন প্রজন্মের কবিদের জন্যও এক পথপ্রদর্শক উদাহরণ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি শরিফুল আলম বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানান হাডসন সিটির মেয়র রিক রেক্টর। মিলি ডুয়েলি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা আয়োজিত প্রথম পুরস্কার ও সর্বোচ্চ সম্মান জিতেছেন কবি শরীফুল আলম।

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি কবি শরীফুল আলম আবারও জয়ী হয়েছেন আন্তর্জাতিক কবিতা অঙ্গনে। এবার তাঁর সম্মানটি এসেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া প্রজাতন্ত্র থেকে। দেশটির খ্যাতিসম্পন্ন সাহিত্য সংগঠন CASA POÉTICA Magia y Plumas কর্তৃক প্রদত্ত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মাননা অর্জন করে তিনি নিজের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছেন।
প্রতিযোগিতাটিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের শতাধিক কবি অংশগ্রহণ করেন। তাদের সৃষ্টিকর্মের মধ্যে থেকে বাছাই করা হয় শ্রেষ্ঠদের। শরীফুল আলমের লেখা কবিতা বিচারকমণ্ডলির কাছে উঠে আসে বিশেষ ব্যঞ্জনায়। যেখানে মানবতা, হৃদয়বোধ ও শিল্পিত শব্দচয়নের মেলবন্ধন গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।
এই সম্মাননা প্রসঙ্গে কবি শরীফুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি ও ভাষার প্রতি আমার দায়বদ্ধতা সবসময়ই আমার লেখার মূল প্রেরণা। আন্তর্জাতিকভাবে এই স্বীকৃতি পেয়ে আমি অনুপ্রাণিত ও কৃতজ্ঞ।’
বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে এই বিজয় নতুন এক দিগন্তের সূচনা বলেই মনে করছেন সমালোচকেরা। তারা বলছেন, এই ধরনের সম্মাননা শুধুই ব্যক্তিগত নয়, বরং জাতিগত অর্জন—বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা।

শরীফুল আলম শুধু একজন কবিই নন। তিনি একাধারে সাহিত্যদর্শনের বাহক ও বিশ্বসংস্কৃতির সেতুবন্ধন। তাঁর লেখা কবিতাগুলো ইতিমধ্যেই আরবি, রাশিয়ান ও ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়ে স্থানীয় সুরকারদের সুরে গীত হয়েছে। যা একটি ব্যতিক্রমী সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কবিতার মাধ্যমে তিনি যে ভাব ও বোধ প্রকাশ করেন, তা ভাষা ও ভৌগোলিক সীমা অতিক্রম করে পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। বাংলা কবিতাকে তিনি যেভাবে বহুভাষিক, বহুসংস্কৃতির মিলনস্থলে রূপান্তরিত করেছেন, তা নতুন প্রজন্মের কবিদের জন্যও এক পথপ্রদর্শক উদাহরণ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি শরিফুল আলম বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানান হাডসন সিটির মেয়র রিক রেক্টর। মিলি ডুয়েলি বসনিয়া-হার্জেগোভিনা আয়োজিত প্রথম পুরস্কার ও সর্বোচ্চ সম্মান জিতেছেন কবি শরীফুল আলম।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে