
বিডিজেন ডেস্ক

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকো সদর দপ্তরে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় শুরু হয়েছে ‘১৯৭০ কনভেনশনের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সভার সহায়ক কমিটির দুই দিনব্যাপী ১৪তম অধিবেশন। এতে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গবেষক শাহাবুদ্দিন শুভ।
আজ সোমবার (১৮ মে) দুই দিনব্যাপী এই অধিবেশন শুরু হয়েছে। চলবে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) পর্যন্ত।
সহায়ক কমিটির এই অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করছেন। অধিবেশনটি ইউনেসকোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আওতায় আয়োজন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
অধিবেশনে যোগ দিয়ে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বপর্যায়ের আলোচনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদী।
ইউনেসকো সূত্রে জানা গেছে, সভাটি প্যারিসে ইউনেসকো সদর দপ্তরের রুম-১১–তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ, নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করছেন।
বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই আন্তর্জাতিক সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বৈশ্বিক পরিসরে আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকো সদর দপ্তরে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় শুরু হয়েছে ‘১৯৭০ কনভেনশনের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সভার সহায়ক কমিটির দুই দিনব্যাপী ১৪তম অধিবেশন। এতে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গবেষক শাহাবুদ্দিন শুভ।
আজ সোমবার (১৮ মে) দুই দিনব্যাপী এই অধিবেশন শুরু হয়েছে। চলবে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) পর্যন্ত।
সহায়ক কমিটির এই অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করছেন। অধিবেশনটি ইউনেসকোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আওতায় আয়োজন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
অধিবেশনে যোগ দিয়ে শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে বিশ্বপর্যায়ের আলোচনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদী।
ইউনেসকো সূত্রে জানা গেছে, সভাটি প্যারিসে ইউনেসকো সদর দপ্তরের রুম-১১–তে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে গৃহীত পদক্ষেপ, নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করছেন।
বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই আন্তর্জাতিক সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বৈশ্বিক পরিসরে আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে