
বিডিজেন ডেস্ক

ফ্রান্সে প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি, লেখক ও সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভকে প্রবাস জীবন শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গত রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে ওবারভিলিয়ের একটি রেস্তোরাঁর হলরুমে তাকে এ সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফেডারেশনের সভাপতি ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাত্তার আলী সুমন শাহ আলম। সভাপতিত্ব করেন প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এনায়েত হোসেন সোহেল। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহমেদ।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের সভাপতি চৌধুরী ছালেহ আহমেদ, উদীচী ফ্রান্স সংসদের সভাপতি কিরণময় মন্ডল, প্রবাসে বাংলার সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম, বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন ফ্রান্সের সভাপতি মান্নান আজাদ, ফ্রান্স-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি দেবেশ বড়ুয়া, বিকশিত নারী সংঘের সভানেত্রী সৈয়দা তৌফিকা সাহেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের শিক্ষা-গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম। বক্তব্য দেন ফরাসি মঞ্চাভিনেতা সোয়েব মোজাম্মেল, দৈনিক মানবজমিনের ফ্রান্স প্রতিনিধি এম সি রুমেল ও ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাজউদ্দীন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ক্লাবের সহসভাপতি শিব্বির আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ফখরুজ্জামান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মারুফ।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকেও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা এবং কমিউনিটির নানা ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার লেখনী প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখ-দুঃখ, সম্ভাবনা ও সংগ্রামের কথা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেছে। দেশে ফিরে গিয়েও তিনি তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা তার সুস্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সফল জীবন কামনা করেন।
সংবর্ধিত শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “ফ্রান্সে অবস্থানকালে প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাব আমাকে যে ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সম্মান দিয়েছে—তা আমার জীবনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, প্রবাস জীবনে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখ-দুঃখ ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এই পথে সহকর্মী সাংবাদিক ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমি দেশে ফিরে গেলেও প্রবাসের সঙ্গে আমার সম্পর্ক, ভালোবাসা ও পেশাগত দায়বদ্ধতা সবসময় অটুট থাকবে।”
সংবর্ধনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সদ্য সমাপ্ত ফ্রান্সের মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে বিজয়ী ৫ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

ফ্রান্সে প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি, লেখক ও সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভকে প্রবাস জীবন শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গত রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে ওবারভিলিয়ের একটি রেস্তোরাঁর হলরুমে তাকে এ সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফ্রান্স বাংলাদেশ বিজনেস ফেডারেশনের সভাপতি ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাত্তার আলী সুমন শাহ আলম। সভাপতিত্ব করেন প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এনায়েত হোসেন সোহেল। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহমেদ।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্সের সভাপতি চৌধুরী ছালেহ আহমেদ, উদীচী ফ্রান্স সংসদের সভাপতি কিরণময় মন্ডল, প্রবাসে বাংলার সম্পাদক অধ্যাপক অপু আলম, বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন ফ্রান্সের সভাপতি মান্নান আজাদ, ফ্রান্স-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি দেবেশ বড়ুয়া, বিকশিত নারী সংঘের সভানেত্রী সৈয়দা তৌফিকা সাহেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের শিক্ষা-গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম। বক্তব্য দেন ফরাসি মঞ্চাভিনেতা সোয়েব মোজাম্মেল, দৈনিক মানবজমিনের ফ্রান্স প্রতিনিধি এম সি রুমেল ও ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাজউদ্দীন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ক্লাবের সহসভাপতি শিব্বির আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ফখরুজ্জামান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মারুফ।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকেও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা এবং কমিউনিটির নানা ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার লেখনী প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখ-দুঃখ, সম্ভাবনা ও সংগ্রামের কথা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেছে। দেশে ফিরে গিয়েও তিনি তার সৃজনশীলতা, সাংবাদিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সেতুবন্ধন রচনায় ভূমিকা রাখবেন বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা তার সুস্বাস্থ্য, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সফল জীবন কামনা করেন।
সংবর্ধিত শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “ফ্রান্সে অবস্থানকালে প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাব আমাকে যে ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সম্মান দিয়েছে—তা আমার জীবনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, প্রবাস জীবনে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখ-দুঃখ ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এই পথে সহকর্মী সাংবাদিক ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমি দেশে ফিরে গেলেও প্রবাসের সঙ্গে আমার সম্পর্ক, ভালোবাসা ও পেশাগত দায়বদ্ধতা সবসময় অটুট থাকবে।”
সংবর্ধনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সদ্য সমাপ্ত ফ্রান্সের মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে বিজয়ী ৫ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে