
বিডিজেন ডেস্ক
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিবস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
গত ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এতে আঙ্কারায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে তুরস্কে চিকিৎসাধীন জুলাই বিপ্লবের সময় চোখে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৭ জন আহত যোদ্ধাও উপস্থিত ছিলেন, যা এই আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

আহত জুলাই যোদ্ধারা এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূতাবাসের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের আগমন ও আসন গ্রহণের পর দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. শফিক উদ্দিন।
এরপর ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব পোস্টার এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

এরপর দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য ও পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম, বিশ্বব্যাংকের আঙ্কারা অফিসে কর্মরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. ফেরদৌস জাহান এবং তুরস্কে চিকিৎসাধীন জুলাইযোদ্ধা কোরবান শেখ হিল্লোল।
সাইফুল ইসলাম সবাইকে আজাদী মোবারক জানান এবং যারা বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন অত্যাচার নিপীড়ন থেকে আজাদী পেয়েছেন তাদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করেন। বক্তারা জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের ত্যাগ বৃথা না যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে, শহিদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানান এবং সশস্ত্র বাহিনীর নিরপেক্ষ অবদান তুলে ধরেন। দেশে যেকোনো বিপর্যয়ে সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ের মত ভবিষ্যতেও দৃঢ় এবং ন্যায়ের পথ বেছে নিবে বলে অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক জুলাই শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, এই অভ্যুত্থান ছিল বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিবাদ ও বিজয়।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, তুরস্ক সরকারের সহযোগিতায় বর্তমানে আঙ্কারায় ৭ জন আহত জুলাই যোদ্ধার চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও আহতদের চিকিৎসার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অন্য ক্ষেত্রে তুরস্কের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দূতাবাসের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা জানান।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের সকলকে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্য শেষ করেন একটি উন্নত, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশায়।
অনুষ্ঠানের শেষে কোরআন তিলওয়াত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিবস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
গত ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এতে আঙ্কারায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে তুরস্কে চিকিৎসাধীন জুলাই বিপ্লবের সময় চোখে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৭ জন আহত যোদ্ধাও উপস্থিত ছিলেন, যা এই আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

আহত জুলাই যোদ্ধারা এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূতাবাসের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের আগমন ও আসন গ্রহণের পর দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. শফিক উদ্দিন।
এরপর ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব পোস্টার এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

এরপর দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য ও পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম, বিশ্বব্যাংকের আঙ্কারা অফিসে কর্মরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. ফেরদৌস জাহান এবং তুরস্কে চিকিৎসাধীন জুলাইযোদ্ধা কোরবান শেখ হিল্লোল।
সাইফুল ইসলাম সবাইকে আজাদী মোবারক জানান এবং যারা বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন অত্যাচার নিপীড়ন থেকে আজাদী পেয়েছেন তাদের ত্যাগের কথা উল্লেখ করেন। বক্তারা জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের ত্যাগ বৃথা না যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে, শহিদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানান এবং সশস্ত্র বাহিনীর নিরপেক্ষ অবদান তুলে ধরেন। দেশে যেকোনো বিপর্যয়ে সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ের মত ভবিষ্যতেও দৃঢ় এবং ন্যায়ের পথ বেছে নিবে বলে অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক জুলাই শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, এই অভ্যুত্থান ছিল বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিবাদ ও বিজয়।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, তুরস্ক সরকারের সহযোগিতায় বর্তমানে আঙ্কারায় ৭ জন আহত জুলাই যোদ্ধার চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও আহতদের চিকিৎসার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অন্য ক্ষেত্রে তুরস্কের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দূতাবাসের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা জানান।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের সকলকে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্য শেষ করেন একটি উন্নত, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশায়।
অনুষ্ঠানের শেষে কোরআন তিলওয়াত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে