
অজন্তা চৌধুরী, টরন্টো, কানাডা

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোর ব্রাইটন ব্যাংকুয়েট হলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী এক সুইট সিক্সটিন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন এ শহরের স্বনামধন্য ও সুপরিচিত রিয়ালটর হিশাম চিশতি। তিনি এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেন তার প্রিয় ভাতিজি সানিয়ার ১৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে।
টরন্টোর বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পরিবারসহ মিলিত হয়ে সানিয়ার বিশেষ এই দিনটিকে অর্থবহ করে তোলেন। টরন্টোর বাইরের শহর ও আমেরিকা থেকে অতিথিরা এই আনন্দযজ্ঞে অংশ নিয়ে কাণায় কাণায় পরিপূর্ণ করে তোলেন বিশেষ সন্ধ্যাটিকে।

আয়োজনটিকে হিশাম আখ্যায়িত করেন ‘Saniyah’s Sweet Sixteen–A Promise Fulfilled’ হিসেবে। কারণ ১৫ বছর আগে এক ফুটফুটে শিশুর দাদিকে জন্মের সময়েই কথা দিয়েছিলেন জমকালো এক আয়োজনের, যেটি হবে ১৬ বছরের জন্মদিবস। দাদি না ফেরার দেশ থেকেই এই আয়োজনটি নিশ্চয় সেদিন দেখেছিলেন, দোয়া দিয়েছেন আর সম্পৃক্ত থেকেছেন আনন্দ উৎসবের প্রতি মুহূর্তে।

ঠিক সন্ধ্যা ৬টা থেকেই শুরু হয়ে যায় সম্মানিত অতিথিদের আগমন। মুখরোচক এপেটাইজার ও আকর্ষণীয় ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের আদলে তৈরি ফটোবুথে ছবি তুলে সময়টাকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যস্ত সময় কাটে সকলের।
জাওয়াদ তার মিষ্টি কণ্ঠে পবিত্র কোরানের বাণীর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। এরপর সময় চলে আসে জন্মদিন কন্যাকে স্বাগত জানানোর। এ সময় সানিয়া প্রবেশ করে প্রিয় চাচা হিশাম ও বাবা কায়েম চিশতির সাথে ঢোল ও বাদ্য বাজিয়ে। বিপুল করতালির মাঝে জন্মদিনের বিশেষ চমৎকার সাদা পোশাকে যেন এক পরি নেমে এসেছিল হল রুমটিতে। তারপর থেকে প্রায় ৭ ঘন্টা অতিথিবৃন্দ বিরতিহীন বিনোদনের মাঝে এক অন্যরকম ব্যতিক্রমী জন্মদিন উৎসব পালনের সাক্ষী হয়ে রইলেন চিশতী পরিবারের সাথে।

তরুণ কণ্ঠ ফাবিয়ানের গানে শুরু হয় সুরের মূর্ছনা। পরে ফিডব্যাক ব্যান্ডের প্রিয় কণ্ঠশিল্পী লুমিনের গাওয়া জনপ্রিয় গানের সুরে ও তালে এক অন্যরকম আবহ সৃষ্টি হয়। বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন শহরের সুনামধন্য যন্ত্রীরা, ছিলেন সৌরভ ধ্রুব, পল হালিম, আকিব ও আবির। টরন্টোর গুণী নৃত্যশিল্পী তাপস দেব ও নাহিদ নাসরিন নয়নের ভিন্ন ব্যতিক্রমী নৃতায়োজন ছিল দৃষ্টি নন্দন। পাশাপাশি ‘হিপ ডোন্ট লাই’ দলের নৃত্য পরিবেশনাও ছিল প্রশংসনীয়। হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া পরিবেশনা ছিল পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে। পরিবারের সদস্য জেসমিন, সেতারা নাসরিন, জয়তারা নাজনীন, আমের, জাওয়াদ, শাহ তাহরীম আল তাবিন, নাহিদ নাসরিন নয়ন, খাদিজা, মুনতাহা ও লুৎফর রহমানের হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা অতিথিবৃন্দ উপভোগ করেন শতভাগ। ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মিশু সাব্বিরের সাথে উপস্থাপনায় ভিন্নভাবে মঞ্চে আসেন আয়োজক চাচা হিশাম চিশতী ও আলিফ জে হোসেন। শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন রিজভী আহমেদ রিজ। রেয়ালটর ওয়ালী ইসলামের কবিতা আবৃতি ছিল একটি ভিন্ন সংযোজন।

পুরো আয়োজনটিতে ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া। চিশতী পরিবারের সকলেই উপস্থিত অতিথিদের খোঁজ–খবর নেন পুরো আয়োজনজুড়ে। জন্মদিনের ষোলো ছুঁয়ে যাওয়া রাজকন্যাটির ‘আয় খুকু আয়’ গানটির সাথে বাবাকে নিয়ে পরিবেশনা এক অন্য মাত্রা যোগ করে ধোঁয়া ও আলোকের ঝরনাধারার মাঝে। মঞ্চের সামনের কেন্দ্রস্থলে এই পরিবেশনাটি ছিল যেন মেঘের রাজ্যে সানিয়ার বাবার সাথে স্বপ্নময় এক অবতরণ। পরবর্তীতে প্রিয় চাচা হিশাম চিশতির সাথে আরও একটি নৃত্য পরিবেশনা ছিল পুরো আয়োজনের মাঝে এক ভিন্ন উপস্থাপন।

নৈশভোজে খাবারের সাথে অম্রি ইভেন্টসের জমকালো পোশাকে ভায়োলিন বাজিয়ে মুগ্ধতা ছড়ান ভায়োলিন বাদক। রাতের খাবার শেষে এলইডি রোবটের আগমন এবং সাথে ডিজে রিকেলের পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে ডান্স ফ্লোরে নিয়ে চলে আসে। আনন্দ যেন বহুগুণে বেড়ে যায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে।

স্থির চিত্রগ্রহণে ছিলেন শহরের সেরা আলোকচিত্র শিল্পী দীপক সূত্রধর। মিডিয়া ও টিভি থেকে ছিল টরন্টোর সুপরিচিত এনআরবি টিভি, ক্লাইমেট চ্যানেল, প্রবাসী টিভি ও দোয়েল টিভি। আয়োজনের অন্যতম মূল আরও একটি আকর্ষণ ছিল রাফেল ড্র, যেখানে দেওয়া হয় প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৫৫ ইঞ্চি Samsung ক্রিস্টাল UHD 4K টিভি, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল HP ল্যাপটপ এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল অ্যাপল ওয়াচ। রাফেল ড্রর বিজয়ীদের পুরস্কার হাতে তুলে দেয় আয়োজনের মধ্যমনি সানিয়া।

আয়োজনে টরন্টোর বিভিন্ন পেশার স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গের সাথে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলার পার্থি ক্যান্ডিভেল ও জামাল ময়েরস। তারা শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে একটি শুভেচ্ছা স্মারকপত্র তুলে দেন সানিয়ার হাতে। স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্টের লিবারেল এমপি ডলি বেগম বিশেষভাবে শুভ কামনা জানিয়ে সানিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয় মনির ইসলাম, শান দে, ওয়ালী ইসলাম, শহিদুল ইসলাম মিন্টু, হাকিম খান, কবিরুল ইসলাম ও মীর জুয়েলকে।

সবশেষে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয় ভাই কায়েম চিশতী, ভাবী ও জন্মদিনের রাজকন্যাটিকে যারা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে উড়ে এসেছে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনটিকে প্রাণ দিতে। এই আয়োজনটি শুধু একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান উদ্যাপন ছিল না, এটি ছিল একটি সৌহার্দপূর্ণ মহা মিলনমেলা যেখানে তিন শতাধিক আপনজন একহয়ে তাদের উষ্ণ ভালোবাসা ও শুভ কামনা জানান। আর এটিই ছিল চাচা হিশাম চিশতির দেওয়া প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন ও একটি স্বপ্ন যা তিনি পুরোপুরি পালন করেছেন।

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের টরন্টোর ব্রাইটন ব্যাংকুয়েট হলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী এক সুইট সিক্সটিন অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলেন এ শহরের স্বনামধন্য ও সুপরিচিত রিয়ালটর হিশাম চিশতি। তিনি এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেন তার প্রিয় ভাতিজি সানিয়ার ১৬ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে।
টরন্টোর বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পরিবারসহ মিলিত হয়ে সানিয়ার বিশেষ এই দিনটিকে অর্থবহ করে তোলেন। টরন্টোর বাইরের শহর ও আমেরিকা থেকে অতিথিরা এই আনন্দযজ্ঞে অংশ নিয়ে কাণায় কাণায় পরিপূর্ণ করে তোলেন বিশেষ সন্ধ্যাটিকে।

আয়োজনটিকে হিশাম আখ্যায়িত করেন ‘Saniyah’s Sweet Sixteen–A Promise Fulfilled’ হিসেবে। কারণ ১৫ বছর আগে এক ফুটফুটে শিশুর দাদিকে জন্মের সময়েই কথা দিয়েছিলেন জমকালো এক আয়োজনের, যেটি হবে ১৬ বছরের জন্মদিবস। দাদি না ফেরার দেশ থেকেই এই আয়োজনটি নিশ্চয় সেদিন দেখেছিলেন, দোয়া দিয়েছেন আর সম্পৃক্ত থেকেছেন আনন্দ উৎসবের প্রতি মুহূর্তে।

ঠিক সন্ধ্যা ৬টা থেকেই শুরু হয়ে যায় সম্মানিত অতিথিদের আগমন। মুখরোচক এপেটাইজার ও আকর্ষণীয় ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের আদলে তৈরি ফটোবুথে ছবি তুলে সময়টাকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যস্ত সময় কাটে সকলের।
জাওয়াদ তার মিষ্টি কণ্ঠে পবিত্র কোরানের বাণীর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। এরপর সময় চলে আসে জন্মদিন কন্যাকে স্বাগত জানানোর। এ সময় সানিয়া প্রবেশ করে প্রিয় চাচা হিশাম ও বাবা কায়েম চিশতির সাথে ঢোল ও বাদ্য বাজিয়ে। বিপুল করতালির মাঝে জন্মদিনের বিশেষ চমৎকার সাদা পোশাকে যেন এক পরি নেমে এসেছিল হল রুমটিতে। তারপর থেকে প্রায় ৭ ঘন্টা অতিথিবৃন্দ বিরতিহীন বিনোদনের মাঝে এক অন্যরকম ব্যতিক্রমী জন্মদিন উৎসব পালনের সাক্ষী হয়ে রইলেন চিশতী পরিবারের সাথে।

তরুণ কণ্ঠ ফাবিয়ানের গানে শুরু হয় সুরের মূর্ছনা। পরে ফিডব্যাক ব্যান্ডের প্রিয় কণ্ঠশিল্পী লুমিনের গাওয়া জনপ্রিয় গানের সুরে ও তালে এক অন্যরকম আবহ সৃষ্টি হয়। বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন শহরের সুনামধন্য যন্ত্রীরা, ছিলেন সৌরভ ধ্রুব, পল হালিম, আকিব ও আবির। টরন্টোর গুণী নৃত্যশিল্পী তাপস দেব ও নাহিদ নাসরিন নয়নের ভিন্ন ব্যতিক্রমী নৃতায়োজন ছিল দৃষ্টি নন্দন। পাশাপাশি ‘হিপ ডোন্ট লাই’ দলের নৃত্য পরিবেশনাও ছিল প্রশংসনীয়। হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া পরিবেশনা ছিল পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে। পরিবারের সদস্য জেসমিন, সেতারা নাসরিন, জয়তারা নাজনীন, আমের, জাওয়াদ, শাহ তাহরীম আল তাবিন, নাহিদ নাসরিন নয়ন, খাদিজা, মুনতাহা ও লুৎফর রহমানের হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা অতিথিবৃন্দ উপভোগ করেন শতভাগ। ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মিশু সাব্বিরের সাথে উপস্থাপনায় ভিন্নভাবে মঞ্চে আসেন আয়োজক চাচা হিশাম চিশতী ও আলিফ জে হোসেন। শব্দ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন রিজভী আহমেদ রিজ। রেয়ালটর ওয়ালী ইসলামের কবিতা আবৃতি ছিল একটি ভিন্ন সংযোজন।

পুরো আয়োজনটিতে ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া। চিশতী পরিবারের সকলেই উপস্থিত অতিথিদের খোঁজ–খবর নেন পুরো আয়োজনজুড়ে। জন্মদিনের ষোলো ছুঁয়ে যাওয়া রাজকন্যাটির ‘আয় খুকু আয়’ গানটির সাথে বাবাকে নিয়ে পরিবেশনা এক অন্য মাত্রা যোগ করে ধোঁয়া ও আলোকের ঝরনাধারার মাঝে। মঞ্চের সামনের কেন্দ্রস্থলে এই পরিবেশনাটি ছিল যেন মেঘের রাজ্যে সানিয়ার বাবার সাথে স্বপ্নময় এক অবতরণ। পরবর্তীতে প্রিয় চাচা হিশাম চিশতির সাথে আরও একটি নৃত্য পরিবেশনা ছিল পুরো আয়োজনের মাঝে এক ভিন্ন উপস্থাপন।

নৈশভোজে খাবারের সাথে অম্রি ইভেন্টসের জমকালো পোশাকে ভায়োলিন বাজিয়ে মুগ্ধতা ছড়ান ভায়োলিন বাদক। রাতের খাবার শেষে এলইডি রোবটের আগমন এবং সাথে ডিজে রিকেলের পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে ডান্স ফ্লোরে নিয়ে চলে আসে। আনন্দ যেন বহুগুণে বেড়ে যায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে।

স্থির চিত্রগ্রহণে ছিলেন শহরের সেরা আলোকচিত্র শিল্পী দীপক সূত্রধর। মিডিয়া ও টিভি থেকে ছিল টরন্টোর সুপরিচিত এনআরবি টিভি, ক্লাইমেট চ্যানেল, প্রবাসী টিভি ও দোয়েল টিভি। আয়োজনের অন্যতম মূল আরও একটি আকর্ষণ ছিল রাফেল ড্র, যেখানে দেওয়া হয় প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৫৫ ইঞ্চি Samsung ক্রিস্টাল UHD 4K টিভি, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল HP ল্যাপটপ এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল অ্যাপল ওয়াচ। রাফেল ড্রর বিজয়ীদের পুরস্কার হাতে তুলে দেয় আয়োজনের মধ্যমনি সানিয়া।

আয়োজনে টরন্টোর বিভিন্ন পেশার স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গের সাথে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলার পার্থি ক্যান্ডিভেল ও জামাল ময়েরস। তারা শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে একটি শুভেচ্ছা স্মারকপত্র তুলে দেন সানিয়ার হাতে। স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্টের লিবারেল এমপি ডলি বেগম বিশেষভাবে শুভ কামনা জানিয়ে সানিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয় মনির ইসলাম, শান দে, ওয়ালী ইসলাম, শহিদুল ইসলাম মিন্টু, হাকিম খান, কবিরুল ইসলাম ও মীর জুয়েলকে।

সবশেষে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয় ভাই কায়েম চিশতী, ভাবী ও জন্মদিনের রাজকন্যাটিকে যারা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে উড়ে এসেছে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনটিকে প্রাণ দিতে। এই আয়োজনটি শুধু একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান উদ্যাপন ছিল না, এটি ছিল একটি সৌহার্দপূর্ণ মহা মিলনমেলা যেখানে তিন শতাধিক আপনজন একহয়ে তাদের উষ্ণ ভালোবাসা ও শুভ কামনা জানান। আর এটিই ছিল চাচা হিশাম চিশতির দেওয়া প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন ও একটি স্বপ্ন যা তিনি পুরোপুরি পালন করেছেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে