
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৫ মে) এ সভার আয়োজন করে জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সঞ্চালনা করেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা।
সভায় জেদ্দা ও আশপাশের অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশি ও সৌদি আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন। সভায় দেশীয় খাদ্যপণ্যের ব্র্যান্ডিং, বাজার সম্প্রসারণ এবং লজিস্টিকস-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, এ সভায় সৌদি-বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস ফোরামের সভাপতি আবদুর রহমান, এ কে এম শাহজাহান সিরাজি, শেখ জাকির হোসেন, হাবিবুর রহমান রাঢ়ী, সাইফুল ইসলাম মঞ্জু, ইউসুফ মোহাম্মদ দুবাসি, আলি আহমেদ, মনির হোসেন, সাইদুল ইসলাম সুমন, মোহাম্মদ সবুজ, হাবিবুর রহমান বেপারি, তসলিম উদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কনসাল জেনারেল বলেন, সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশির পাশাপাশি মূলধারার সৌদি ভোক্তাদের মধ্যেও বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে মানসম্মত পণ্য সরবরাহ ও আধুনিক বিপণন কৌশল গ্রহণ অপরিহার্য।
সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা বৃদ্ধি, যুক্তিসঙ্গত ভাড়ায় দ্রুত বিমানযোগে পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করা এবং বন্দরে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ।
কনসাল জেনারেল এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি সৌদি আরবের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটির (এসএফডিএ) নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্যাকেজিং নিশ্চিত করা এবং ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবসা পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে কনস্যুলেট থেকে ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে দ্রুত বিক্রয়যোগ্য ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি), হিমায়িত মাছ এবং কনফেকশনারি পণ্য সৌদির বড় সুপারমার্কেটগুলোতে সরবরাহ বাড়ানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।

সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৫ মে) এ সভার আয়োজন করে জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সঞ্চালনা করেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা।
সভায় জেদ্দা ও আশপাশের অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশি ও সৌদি আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন। সভায় দেশীয় খাদ্যপণ্যের ব্র্যান্ডিং, বাজার সম্প্রসারণ এবং লজিস্টিকস-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, এ সভায় সৌদি-বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস ফোরামের সভাপতি আবদুর রহমান, এ কে এম শাহজাহান সিরাজি, শেখ জাকির হোসেন, হাবিবুর রহমান রাঢ়ী, সাইফুল ইসলাম মঞ্জু, ইউসুফ মোহাম্মদ দুবাসি, আলি আহমেদ, মনির হোসেন, সাইদুল ইসলাম সুমন, মোহাম্মদ সবুজ, হাবিবুর রহমান বেপারি, তসলিম উদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কনসাল জেনারেল বলেন, সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশির পাশাপাশি মূলধারার সৌদি ভোক্তাদের মধ্যেও বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে মানসম্মত পণ্য সরবরাহ ও আধুনিক বিপণন কৌশল গ্রহণ অপরিহার্য।
সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাদ্যপণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা বৃদ্ধি, যুক্তিসঙ্গত ভাড়ায় দ্রুত বিমানযোগে পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করা এবং বন্দরে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ।
কনসাল জেনারেল এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি সৌদি আরবের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটির (এসএফডিএ) নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্যাকেজিং নিশ্চিত করা এবং ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবসা পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে কনস্যুলেট থেকে ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে দ্রুত বিক্রয়যোগ্য ভোগ্যপণ্য (এফএমসিজি), হিমায়িত মাছ এবং কনফেকশনারি পণ্য সৌদির বড় সুপারমার্কেটগুলোতে সরবরাহ বাড়ানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে