
বিডিজেন ডেস্ক

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর স্লোগানে ইতালির রাজধানী রোম ও আশপাশ শহরে বসবাসরত চাঁদপুরবাসীদের অংশগ্রহণে বাৎসরিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি চাঁদপুর জেলা সমিতি ইতালির উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন খেলাধুলা আনন্দ উচ্ছ্বাসে রোমের একটি পার্কে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনে হাঁড়ি ভাঙা খেলায় শিশু-কিশোর ও নারীপুরুষ সবার অংশগ্রহণে বিনোদনের কমতি ছিল না।
অনুষ্ঠান আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে রাজনৈতিক, সামাজিক, আঞ্চলিক সমিতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে।
এ আয়োজন সম্পর্কে চাঁদপুর জেলা সমিতির সভাপতি নাছির উদ্দীন মানিক বলেন, সুন্দর মনোরম গতানুগতিকের বাইরে ভিন্ন একটি পরিবেশে এ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে চেষ্টা করেছি সবাইকে বিনোদনে মাতিয়ে রাখতে। বিশ্বাস করি সবার ভালো লাগবে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে করতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। একই সঙ্গে উপস্থিতিদের ধন্যবাদ জানাই।
সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, চমৎকার একটি মিলনমেলা হয়েছে। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে এ ধরনের অনুষ্ঠানে দেশের সংস্কৃতি প্রবাসে চর্চার বিশেষ একটি সুযোগ যা স্থানীয়দের মাঝে তুলে ধরা হয়।
সহসভাপতি খাজা আহমেদ বলেন, এটা আমাদের বাৎসরিক মিলনমেলা। প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন আমরা করে থাকি। তবে এবারের অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে করা হয়েছে। সম্পূর্ণ আলাদা ইতালিয়ান পরিবেশ। এর আগে এরকম আয়োজন তেমন করা হয়নি।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম লিটন বলেন, চাঁদপুর জেলা সমিতির এবারের আয়োজনে মিলনমেলা খুবই উপভোগ করার মতো। বিশেষ করে আমরা যারা পরিবার নিয়ে প্রবাসের মাটিতে বসবাস করি, তাদের জন্য আজকের দিনটি বহুমাত্রিক আনন্দের দিন। যারা মিলনমেলায় উপস্থিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ।
সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়াজী বলেন, যারা মিলনমেলায় উপস্থিত হয়েছেন আয়োজকদের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমরা চেয়েছিলাম সুন্দর একটি পরিবেশে, শৃঙ্খলা বজায় রেখে এ অনুষ্ঠান করতে। যদি কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে তবে সুন্দর ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই। ভবিষ্যতে এ ভুলগুলো সামনে রেখে সংশোধন আনার চেষ্টা করব। আমরা আপনাদের দোয়া ও সমর্থন আশা করছি।
উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা সমিতির উপদেষ্টা আলী আযম, সহসভাপতি জসিম উদ্দিন শিপলু, খায়রুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, বিক্রম মজুমদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন জনি, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, মহিলা সম্পাদিকা ফারহানা মাহমুদা এবং মোহছেনা ইসলাম কনা প্রমুখ।

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর স্লোগানে ইতালির রাজধানী রোম ও আশপাশ শহরে বসবাসরত চাঁদপুরবাসীদের অংশগ্রহণে বাৎসরিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি চাঁদপুর জেলা সমিতি ইতালির উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন খেলাধুলা আনন্দ উচ্ছ্বাসে রোমের একটি পার্কে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনে হাঁড়ি ভাঙা খেলায় শিশু-কিশোর ও নারীপুরুষ সবার অংশগ্রহণে বিনোদনের কমতি ছিল না।
অনুষ্ঠান আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে রাজনৈতিক, সামাজিক, আঞ্চলিক সমিতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে।
এ আয়োজন সম্পর্কে চাঁদপুর জেলা সমিতির সভাপতি নাছির উদ্দীন মানিক বলেন, সুন্দর মনোরম গতানুগতিকের বাইরে ভিন্ন একটি পরিবেশে এ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে চেষ্টা করেছি সবাইকে বিনোদনে মাতিয়ে রাখতে। বিশ্বাস করি সবার ভালো লাগবে। আগামীতে আরও বড় পরিসরে করতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। একই সঙ্গে উপস্থিতিদের ধন্যবাদ জানাই।
সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, চমৎকার একটি মিলনমেলা হয়েছে। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে এ ধরনের অনুষ্ঠানে দেশের সংস্কৃতি প্রবাসে চর্চার বিশেষ একটি সুযোগ যা স্থানীয়দের মাঝে তুলে ধরা হয়।
সহসভাপতি খাজা আহমেদ বলেন, এটা আমাদের বাৎসরিক মিলনমেলা। প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন আমরা করে থাকি। তবে এবারের অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে করা হয়েছে। সম্পূর্ণ আলাদা ইতালিয়ান পরিবেশ। এর আগে এরকম আয়োজন তেমন করা হয়নি।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম লিটন বলেন, চাঁদপুর জেলা সমিতির এবারের আয়োজনে মিলনমেলা খুবই উপভোগ করার মতো। বিশেষ করে আমরা যারা পরিবার নিয়ে প্রবাসের মাটিতে বসবাস করি, তাদের জন্য আজকের দিনটি বহুমাত্রিক আনন্দের দিন। যারা মিলনমেলায় উপস্থিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ।
সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়াজী বলেন, যারা মিলনমেলায় উপস্থিত হয়েছেন আয়োজকদের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমরা চেয়েছিলাম সুন্দর একটি পরিবেশে, শৃঙ্খলা বজায় রেখে এ অনুষ্ঠান করতে। যদি কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে তবে সুন্দর ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই। ভবিষ্যতে এ ভুলগুলো সামনে রেখে সংশোধন আনার চেষ্টা করব। আমরা আপনাদের দোয়া ও সমর্থন আশা করছি।
উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা সমিতির উপদেষ্টা আলী আযম, সহসভাপতি জসিম উদ্দিন শিপলু, খায়রুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, বিক্রম মজুমদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন জনি, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, মহিলা সম্পাদিকা ফারহানা মাহমুদা এবং মোহছেনা ইসলাম কনা প্রমুখ।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে