

প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সংবর্ধিত হয়েছেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত মজুমদার বাবু।
দেশটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাং পিঠাঘর রেস্টুরেন্টে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি মুকিত মজুমদার বাবু তার বক্তব্যে বলেন, "আপনারা দোয়া করবেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে এতদিন ধরে যে কাজগুলো করে আসছি, পুরস্কার পেয়ে সে কাজগুলো যেন ভুলে না যাই। প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে কাজগুলো যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। আমাদের সবাইকেই প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়া দরকার। আমরা ৭১ সালে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ছিলাম। এখন তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২০ কোটি, ২০৫০ সালে জনসংখ্যার পরিমাণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আল্লাহ জানে। দেশের আয়তন বাড়ছে না, মানুষ বাড়ছে। এই ক্রমবর্ধমান মানুষের জন্য, আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা যদি আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে না যাই তারা আমাদের সবাইকে দোষারোপ করবে, আমাদের দায়ী করবে। তাই আমাদের সবারই দায়িত্ব প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা।"
মুকিত মজুমদার বাবু প্রবাসে তাকে সংবর্ধিত করায় বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সদস্যদের এবং উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী ড. এস এম রহমান তনু, এস এম নিপু, মো. কাজী সালাউদ্দিন, মির্জা সালাউদ্দিন, এস এম বসির আলম, সামসুল আলম হেলাল শিকদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আব্দুল মুকিত মজুমদারকে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস, দপ্তর সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, সাংবাদিক আশরাফুল মামুন, মোহাম্মদ আলী, এস এ সৌরভ, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও বিএসওএমের সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালিব রাব্বি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সংবর্ধিত হয়েছেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত মজুমদার বাবু।
দেশটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাং পিঠাঘর রেস্টুরেন্টে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি মুকিত মজুমদার বাবু তার বক্তব্যে বলেন, "আপনারা দোয়া করবেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে এতদিন ধরে যে কাজগুলো করে আসছি, পুরস্কার পেয়ে সে কাজগুলো যেন ভুলে না যাই। প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে কাজগুলো যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। আমাদের সবাইকেই প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়া দরকার। আমরা ৭১ সালে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ছিলাম। এখন তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২০ কোটি, ২০৫০ সালে জনসংখ্যার পরিমাণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আল্লাহ জানে। দেশের আয়তন বাড়ছে না, মানুষ বাড়ছে। এই ক্রমবর্ধমান মানুষের জন্য, আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা যদি আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে না যাই তারা আমাদের সবাইকে দোষারোপ করবে, আমাদের দায়ী করবে। তাই আমাদের সবারই দায়িত্ব প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করা।"
মুকিত মজুমদার বাবু প্রবাসে তাকে সংবর্ধিত করায় বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সদস্যদের এবং উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী ড. এস এম রহমান তনু, এস এম নিপু, মো. কাজী সালাউদ্দিন, মির্জা সালাউদ্দিন, এস এম বসির আলম, সামসুল আলম হেলাল শিকদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আব্দুল মুকিত মজুমদারকে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস, দপ্তর সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, সাংবাদিক আশরাফুল মামুন, মোহাম্মদ আলী, এস এ সৌরভ, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও বিএসওএমের সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালিব রাব্বি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে