
ফারজানা নাজ শম্পা, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, কানাডা

কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষদের একটি অন্যতম প্ল্যাটফর্ম ‘টরন্টো ফিল্ম ফোরাম’। সংগঠনটি ২০১৪ সালে টরন্টোতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর লক্ষ্য যেকোনো ভাষা, রীতি ও ধারার স্বাধীন শৈল্পিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও প্রচার করা।
প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম প্রতি মাসে কানাডার বিভিন্ন কমিউনিটি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সাংষ্কৃতিক চিন্তা–চেতনার সমৃদ্ধি বিকাশের নিরিখে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে। সংগঠনটির মাসিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন দর্শকদের বিনোদন ও জ্ঞানের বিস্তৃতির জন্য নিঃসন্দেহে এক দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করে।

টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সদস্যরা বিশ্বাস করেন, সাংষ্কৃতিকভাবে সুন্দর একটি ভারসাম্যময় সহাবস্থানসহ একটি বহুসংস্কৃতি (multicultural) নির্ভর পরিবেশ সবার জীবনকে আরও রঙিন ও অর্থবহ করে তুলতে পারে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অন্যদের চিন্তাভাবনা, জীবনযাত্রা এবং সৌন্দর্য রীতি–নীতিকে জানার একটি নুতন দিগন্তকেও উন্মুক্ততা দেয়।
টরন্টো ফিল্ম ফোরাম বহুসংস্কৃতির চিন্তা–চেতনার সৌন্দর্য তুলে ধরতে আগামী ২৪ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত বহুসংস্কৃতির এক চলচ্চিত্র উৎসব (টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৫) আয়োজন করেছে। এটি ফোরামের অষ্টম আয়োজন।
টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (২০২৫) টরন্টোর সিনেপ্লেক্স ওডিয়ন (এগলিন্টন টাউন সেন্টার, ২২ লেবোভিক অ্যাভিনিউ, স্কারবোরো) এবং মাল্টিকালাচারাল ফিল্ম স্ক্রিনিং সেন্টারে (৩০০০ ড্যানফোর্থ অ্যাভিনিউ) অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, টরন্টো ফিল্ম ফোরামের প্রথম চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৭ সালের ১ জুলাই কানাডার জন্মের ১৫০তম বার্ষিকীতে অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর অষ্টম টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করা হয়েছে।

কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষদের একটি অন্যতম প্ল্যাটফর্ম ‘টরন্টো ফিল্ম ফোরাম’। সংগঠনটি ২০১৪ সালে টরন্টোতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর লক্ষ্য যেকোনো ভাষা, রীতি ও ধারার স্বাধীন শৈল্পিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও প্রচার করা।
প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম প্রতি মাসে কানাডার বিভিন্ন কমিউনিটি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সাংষ্কৃতিক চিন্তা–চেতনার সমৃদ্ধি বিকাশের নিরিখে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে। সংগঠনটির মাসিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন দর্শকদের বিনোদন ও জ্ঞানের বিস্তৃতির জন্য নিঃসন্দেহে এক দুর্দান্ত ভূমিকা পালন করে।

টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সদস্যরা বিশ্বাস করেন, সাংষ্কৃতিকভাবে সুন্দর একটি ভারসাম্যময় সহাবস্থানসহ একটি বহুসংস্কৃতি (multicultural) নির্ভর পরিবেশ সবার জীবনকে আরও রঙিন ও অর্থবহ করে তুলতে পারে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অন্যদের চিন্তাভাবনা, জীবনযাত্রা এবং সৌন্দর্য রীতি–নীতিকে জানার একটি নুতন দিগন্তকেও উন্মুক্ততা দেয়।
টরন্টো ফিল্ম ফোরাম বহুসংস্কৃতির চিন্তা–চেতনার সৌন্দর্য তুলে ধরতে আগামী ২৪ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত বহুসংস্কৃতির এক চলচ্চিত্র উৎসব (টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৫) আয়োজন করেছে। এটি ফোরামের অষ্টম আয়োজন।
টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (২০২৫) টরন্টোর সিনেপ্লেক্স ওডিয়ন (এগলিন্টন টাউন সেন্টার, ২২ লেবোভিক অ্যাভিনিউ, স্কারবোরো) এবং মাল্টিকালাচারাল ফিল্ম স্ক্রিনিং সেন্টারে (৩০০০ ড্যানফোর্থ অ্যাভিনিউ) অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, টরন্টো ফিল্ম ফোরামের প্রথম চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৭ সালের ১ জুলাই কানাডার জন্মের ১৫০তম বার্ষিকীতে অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর অষ্টম টরন্টো মাল্টি কালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করা হয়েছে।
আলোচনা পর্বে ভ্যানক্যুভারে বসবাসরত একজন মুক্তিযোদ্ধাসহ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শ্রদ্ধাভাজন সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
৪ দিন আগে