
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সকালে দূতাবাস চত্বরে পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এরপর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া, রিয়াদস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধায় রফিক, সালাম, বরকত ও শফিউরসহ সকল ভাষা শহীদ এবং জুলাই-আগস্টে ছাত্র শ্রমিক জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। এর ফলে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে সোচ্চার হতে শুরু করি। যার ধারাবাহিকতায় নানা ঘাত প্রতিঘাত ও আন্দোলনের মাধ্যমে রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলদেশের আর্বিভাব ঘটে এবং নিজেদের ভাগ্য আমরা নিজেরা গড়ার অধিকার অর্জন করি।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভাষার মাধ্যমে খুব সহজে আমরা শিক্ষা, বিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধনে সক্ষম হবো। আজকের এই দিনে আমরা শপথ নেব যেন আমরা আমাদের ভাষার উন্নয়নে কাজ করব এবং পাশাপাশি অন্যের ভাষার প্রতি আমাদের সম্মানবোধ থাকবে।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। যাতে করে তারা দেশকে উপলব্ধি করে দেশ গঠনে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

রাষ্ট্রদূত বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং দেশ গড়ার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির ড. মতিউর রহমান, আব্দুল হাকিম, সিদ্দিকুর রহমান ইমরান ও গোলাম হাসনাইন সোহান। আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সকালে দূতাবাস চত্বরে পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এরপর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া, রিয়াদস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধায় রফিক, সালাম, বরকত ও শফিউরসহ সকল ভাষা শহীদ এবং জুলাই-আগস্টে ছাত্র শ্রমিক জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। এর ফলে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে সোচ্চার হতে শুরু করি। যার ধারাবাহিকতায় নানা ঘাত প্রতিঘাত ও আন্দোলনের মাধ্যমে রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলদেশের আর্বিভাব ঘটে এবং নিজেদের ভাগ্য আমরা নিজেরা গড়ার অধিকার অর্জন করি।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভাষার মাধ্যমে খুব সহজে আমরা শিক্ষা, বিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধনে সক্ষম হবো। আজকের এই দিনে আমরা শপথ নেব যেন আমরা আমাদের ভাষার উন্নয়নে কাজ করব এবং পাশাপাশি অন্যের ভাষার প্রতি আমাদের সম্মানবোধ থাকবে।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। যাতে করে তারা দেশকে উপলব্ধি করে দেশ গঠনে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

রাষ্ট্রদূত বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং দেশ গড়ার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির ড. মতিউর রহমান, আব্দুল হাকিম, সিদ্দিকুর রহমান ইমরান ও গোলাম হাসনাইন সোহান। আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।