
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় বসবাসরত বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর মিলনমেলা ‘বৃহত্তর নোয়াখালী উৎসব ২০২৬’ সফল করার লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা ও বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রাতে জেদ্দার স্থানীয় একটি হোটেলের হলরুমে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
১৯ জুন উৎসবের তারিখ নির্ধারণ
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য এই উৎসবটি উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া, উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজসেবক আবদুল মান্নানকে আহ্বায়ক ও মশিউর রহমান সাজুকে সদস্য সচিব করে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি ‘উৎসব বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা: পুরোনোদের ওপরই আস্থা
সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংগঠনের গতিশীলতা ও প্রবাসীদের ঐক্য ধরে রাখতে নীতি-নির্ধারক ও সাধারণ সদস্যদের সম্মতিক্রমে বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেনকে পরবর্তী মেয়াদের জন্য পুনঃনির্বাচিত করা হয়।
ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম
সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, "এই উৎসব কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসের মাটিতে নোয়াখালীর কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।"
সভায় উল্লেখযোগ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ খান, আবদুর রহমান, ওয়াজিউল্লাহ মিয়া, বিলাল হোসেন, এ কে এম শাহজাহান সিরাজী, সাইফুল ইসলাম মঞ্জু, ড. আকবর আলী, মোহাম্মদ শাহজাহান, আলমগীর হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন, শাহাদাত হোসেন, মঞ্জুর হাসান আলভী, আনোয়ার হোসেন রাজু, মোজাম্মেল হোসেন, জামাল উদ্দিন স্বপন, কামাল উদ্দিন সুমন প্রমুখ।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জেদ্দা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত বৃহত্তর নোয়াখালীর সকল প্রবাসীকে এই মিলনমেলায় সপরিবারে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবের জেদ্দায় বসবাসরত বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর মিলনমেলা ‘বৃহত্তর নোয়াখালী উৎসব ২০২৬’ সফল করার লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা ও বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রাতে জেদ্দার স্থানীয় একটি হোটেলের হলরুমে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
১৯ জুন উৎসবের তারিখ নির্ধারণ
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য এই উৎসবটি উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া, উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজসেবক আবদুল মান্নানকে আহ্বায়ক ও মশিউর রহমান সাজুকে সদস্য সচিব করে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি ‘উৎসব বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা: পুরোনোদের ওপরই আস্থা
সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংগঠনের গতিশীলতা ও প্রবাসীদের ঐক্য ধরে রাখতে নীতি-নির্ধারক ও সাধারণ সদস্যদের সম্মতিক্রমে বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেনকে পরবর্তী মেয়াদের জন্য পুনঃনির্বাচিত করা হয়।
ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম
সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, "এই উৎসব কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং প্রবাসের মাটিতে নোয়াখালীর কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।"
সভায় উল্লেখযোগ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ খান, আবদুর রহমান, ওয়াজিউল্লাহ মিয়া, বিলাল হোসেন, এ কে এম শাহজাহান সিরাজী, সাইফুল ইসলাম মঞ্জু, ড. আকবর আলী, মোহাম্মদ শাহজাহান, আলমগীর হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন, শাহাদাত হোসেন, মঞ্জুর হাসান আলভী, আনোয়ার হোসেন রাজু, মোজাম্মেল হোসেন, জামাল উদ্দিন স্বপন, কামাল উদ্দিন সুমন প্রমুখ।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জেদ্দা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত বৃহত্তর নোয়াখালীর সকল প্রবাসীকে এই মিলনমেলায় সপরিবারে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।