
বিডিজেন ডেস্ক

মাস্টারশেফ ইউকের ২২তম সংস্করণে প্রথম হিটের জন্য হাজারো আবেদন থেকে নির্বাচিত হয়ে অংশ নিয়েছেন ৬ জন প্রতিভাবান রাঁধুনি। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবিনা খান। তিনি ৫ জনকে পেছনে ফেলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন।
৮ সপ্তাহ ধরে এ রকম ৮টি হিটে মোট ৪৮ জন (প্রতি হিটে ৬ জন) থেকে মাত্র ৮ জন লড়বেন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখান থেকে ৪ জন যাবেন সেমিফাইনালে। সাবিনা ইতিমধ্যে প্রথম হিট থেকে বিজয়ী হয়েছেন।
লন্ডনের পরিবেশবিষয়ক পরামর্শক সাবিনা যে খাবারটি রেঁধেছেন, তার নাম তিনি দিয়েছেন ‘সালাদ অব হারমোনি’।
মাস্টারশেফ ইউকের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক ভিডিওতে দেখা যায়, জনপ্রিয় ব্রিটিশ খাদ্য সমালোচক জে রেইন সাবিনার রান্না চেখে দেখছেন। তার মন্তব্য, “এটা দুর্দান্ত, সবকিছু একদম ঠিকঠাক।”
এ সময় সাবিনার চোখে পানি চিকচিক করছিল। তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে জে রেইনকে অনুসরণ করি। একদিন তিনি আমার রান্না খাবেন, এটা ছিল স্বপ্ন। তিনি এভাবে প্রশংসা করেছেন, মনে হচ্ছে আমি এখনো ঘোরের মধ্যে আছি। এখন মনে হচ্ছে, বোধ হয় রান্নাটা আমি টুকটাক পারি।”
টুকটাক নয়, বলতে হবে বেশ ভালোই পারেন সাবিনা। আর তেমনটাই বলছেন বিশ্বের প্রথম সারির পেশাদার শেফরা।

সাবিনা খানের জন্ম বাংলাদেশে, বড় হয়েছেন রাজধানী ঢাকার গুলশানে। বাড়িতে বাইরের খাবার খাওয়া একরকম মানা ছিল। তবে বাড়ির খাবারের টেবিলেই থাকত রেস্তোরাঁর সব স্বাদ। সেখানে মাছের ঝোল, পিৎজা থেকে চায়নিজ ব্ল্যাক বিন চিকেন—সবই থাকত।
আর এসব খাবার ঘরে তৈরি করতেন সাবিনার মা মুনাওয়ার। দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে টেবিলে বসে যে নানা খাবার চেখে দেখা, সেটিই সাবিনার রান্নার অনুপ্রেরণা।
সাবিনাকে তার মা বার্গার, কাবাব, বিরিয়ানি, কেক, কুকিজ, ডোনাট ও নানা পেস্ট্রি নিজ হাতে বানিয়ে খাওয়াতেন। সাবিনাও তার দুই সন্তানকে সেভাবেই খাওয়াতে চেয়েছেন। সাবিনা তার রান্নাঘরকে বলেন ‘ফ্লেভার ল্যাব’। আর সেখানেই নানা রকম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে প্রতিদিনের ডাইনিং অভিজ্ঞতাকে বানাতেন স্বাদে স্মৃতিময়।
রান্নার বাইরে সাবিনা দৌড়ানো, শরীরচর্চা আর প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। গান তার আরেক ভালোবাসা। তার মতে, ভালো খাবারের সঙ্গে ভালো গান থাকলে অভিজ্ঞতাটাই বদলে যায়। সাবিনার রান্নাঘরেও সব সময় বাজতে থাকে গান।

১৬ বছর আগেও সাবিনা একবার মাস্টারশেফে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। শুটিংয়ের সময় সন্তান জন্মের সম্ভাবনা থাকায় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি।
পরে সংসার ও সন্তানদের বড় করার ব্যস্ততায় সেই স্বপ্ন চাপা পড়ে যায়। তবে এবার তার দুই ছেলেই তাকে আবার আবেদন করতে উৎসাহ দিয়েছিল।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই শখের রাঁধুনি রান্নার আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশি হেঁশেলের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে সঙ্গে নিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ী হতে পারবেন কি না, তা জানা যাবে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে।
সূত্র: ক্রাম্ব নিউজ

মাস্টারশেফ ইউকের ২২তম সংস্করণে প্রথম হিটের জন্য হাজারো আবেদন থেকে নির্বাচিত হয়ে অংশ নিয়েছেন ৬ জন প্রতিভাবান রাঁধুনি। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবিনা খান। তিনি ৫ জনকে পেছনে ফেলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন।
৮ সপ্তাহ ধরে এ রকম ৮টি হিটে মোট ৪৮ জন (প্রতি হিটে ৬ জন) থেকে মাত্র ৮ জন লড়বেন কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখান থেকে ৪ জন যাবেন সেমিফাইনালে। সাবিনা ইতিমধ্যে প্রথম হিট থেকে বিজয়ী হয়েছেন।
লন্ডনের পরিবেশবিষয়ক পরামর্শক সাবিনা যে খাবারটি রেঁধেছেন, তার নাম তিনি দিয়েছেন ‘সালাদ অব হারমোনি’।
মাস্টারশেফ ইউকের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের এক ভিডিওতে দেখা যায়, জনপ্রিয় ব্রিটিশ খাদ্য সমালোচক জে রেইন সাবিনার রান্না চেখে দেখছেন। তার মন্তব্য, “এটা দুর্দান্ত, সবকিছু একদম ঠিকঠাক।”
এ সময় সাবিনার চোখে পানি চিকচিক করছিল। তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে জে রেইনকে অনুসরণ করি। একদিন তিনি আমার রান্না খাবেন, এটা ছিল স্বপ্ন। তিনি এভাবে প্রশংসা করেছেন, মনে হচ্ছে আমি এখনো ঘোরের মধ্যে আছি। এখন মনে হচ্ছে, বোধ হয় রান্নাটা আমি টুকটাক পারি।”
টুকটাক নয়, বলতে হবে বেশ ভালোই পারেন সাবিনা। আর তেমনটাই বলছেন বিশ্বের প্রথম সারির পেশাদার শেফরা।

সাবিনা খানের জন্ম বাংলাদেশে, বড় হয়েছেন রাজধানী ঢাকার গুলশানে। বাড়িতে বাইরের খাবার খাওয়া একরকম মানা ছিল। তবে বাড়ির খাবারের টেবিলেই থাকত রেস্তোরাঁর সব স্বাদ। সেখানে মাছের ঝোল, পিৎজা থেকে চায়নিজ ব্ল্যাক বিন চিকেন—সবই থাকত।
আর এসব খাবার ঘরে তৈরি করতেন সাবিনার মা মুনাওয়ার। দুপুরে স্কুল থেকে ফিরে টেবিলে বসে যে নানা খাবার চেখে দেখা, সেটিই সাবিনার রান্নার অনুপ্রেরণা।
সাবিনাকে তার মা বার্গার, কাবাব, বিরিয়ানি, কেক, কুকিজ, ডোনাট ও নানা পেস্ট্রি নিজ হাতে বানিয়ে খাওয়াতেন। সাবিনাও তার দুই সন্তানকে সেভাবেই খাওয়াতে চেয়েছেন। সাবিনা তার রান্নাঘরকে বলেন ‘ফ্লেভার ল্যাব’। আর সেখানেই নানা রকম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে প্রতিদিনের ডাইনিং অভিজ্ঞতাকে বানাতেন স্বাদে স্মৃতিময়।
রান্নার বাইরে সাবিনা দৌড়ানো, শরীরচর্চা আর প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। গান তার আরেক ভালোবাসা। তার মতে, ভালো খাবারের সঙ্গে ভালো গান থাকলে অভিজ্ঞতাটাই বদলে যায়। সাবিনার রান্নাঘরেও সব সময় বাজতে থাকে গান।

১৬ বছর আগেও সাবিনা একবার মাস্টারশেফে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। শুটিংয়ের সময় সন্তান জন্মের সম্ভাবনা থাকায় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি।
পরে সংসার ও সন্তানদের বড় করার ব্যস্ততায় সেই স্বপ্ন চাপা পড়ে যায়। তবে এবার তার দুই ছেলেই তাকে আবার আবেদন করতে উৎসাহ দিয়েছিল।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই শখের রাঁধুনি রান্নার আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশি হেঁশেলের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে সঙ্গে নিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ী হতে পারবেন কি না, তা জানা যাবে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে।
সূত্র: ক্রাম্ব নিউজ
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে