
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকায় ফেরত যাওয়ার প্রাক্কালে মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ মিশনের সহকর্মীদের সম্মানে সম্প্রতি এক বিদায়ী ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন।
মেক্সিকোর বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে আইভেরি কোস্ট, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ছাড়াও ইরাক, আজারবাইজান এবং কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে উপস্থিত কূটনীতিকেরা রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানান। তিনি শিগগিরই মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকাল শেষ করে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।
অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রদূত আনসারী মেক্সিকোতে তার দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মেক্সিকোতে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশে সম্প্রতি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক আশাব্যঞ্জক সূচনা।
রাষ্ট্রদূত মুশফিক তার সময়কালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য মেক্সিকোর সরকার, জনগণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাৎক্ষণিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় কূটনীতিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক।

কূটনৈতিক কোরের ডিন এবং অইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর কূটনৈতিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকালে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ইফতার ও বিভিন্ন দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়।

ঢাকায় ফেরত যাওয়ার প্রাক্কালে মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ মিশনের সহকর্মীদের সম্মানে সম্প্রতি এক বিদায়ী ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন।
মেক্সিকোর বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে আইভেরি কোস্ট, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত ছাড়াও ইরাক, আজারবাইজান এবং কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে উপস্থিত কূটনীতিকেরা রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানান। তিনি শিগগিরই মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকাল শেষ করে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।
অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রদূত আনসারী মেক্সিকোতে তার দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মেক্সিকোতে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশে সম্প্রতি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন একটি নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক আশাব্যঞ্জক সূচনা।
রাষ্ট্রদূত মুশফিক তার সময়কালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য মেক্সিকোর সরকার, জনগণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাৎক্ষণিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় কূটনীতিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক।

কূটনৈতিক কোরের ডিন এবং অইভোরি কোস্টের রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর কূটনৈতিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং মেক্সিকোতে তার দায়িত্বকালে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও গঠনমূলক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ইফতার ও বিভিন্ন দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে