
বিডিজেন ডেস্ক

হংকংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) দিবসের শুরুতে কনসাল জেনারেল ইসরাত আরা সকলের অংশগ্রহণে কনস্যুলেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, তাদের পরিবার ও হংকংয়ের বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কনসাল (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কনসাল জেনারেল মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কনস্যুলেটে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বানীসমূহ পাঠ করা হয়। এ ছাড়া, দিবসটি উপলক্ষে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
কনসাল জেনারেল ইসরাত আরা তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দুই লাখ মা-বোন যারা তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। তিনি আরও স্মরণ করেন, সম্প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও জুলাই আগস্টে গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য তিনি উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য আহবান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে শিশু-কিশোর ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সব শেষে আগত অতিথিদেরকে আপ্যায়ন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

হংকংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) দিবসের শুরুতে কনসাল জেনারেল ইসরাত আরা সকলের অংশগ্রহণে কনস্যুলেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, তাদের পরিবার ও হংকংয়ের বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কনসাল (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
কনসাল জেনারেল মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কনস্যুলেটে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বানীসমূহ পাঠ করা হয়। এ ছাড়া, দিবসটি উপলক্ষে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
কনসাল জেনারেল ইসরাত আরা তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দুই লাখ মা-বোন যারা তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। তিনি আরও স্মরণ করেন, সম্প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও জুলাই আগস্টে গণ অভ্যুত্থানের শহীদদের। বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য তিনি উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য আহবান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে শিশু-কিশোর ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সব শেষে আগত অতিথিদেরকে আপ্যায়ন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে