
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী (২০–২২
নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী। মেলবোর্ন কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ১০টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অর্থায়নে তৈরি পোশাকসামগ্রী প্রদর্শন করছে ৮টি পোশাক উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া, তৈরি পোশাকশিল্পের আরও ২টি প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে।
মেলবোর্নে গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রনি চাকমা ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেরি কিনসেলা।
এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মুরাদ ইউসুফ।
প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৪৫০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ আয়োজন পণ্য প্রদর্শনী, নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে আমদানি ও রপ্তানিকারক এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই তৈরি পোশাক সামগ্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার ৩৮তম বাণিজ্যিক অংশীদার।

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী (২০–২২
নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী। মেলবোর্ন কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ১০টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অর্থায়নে তৈরি পোশাকসামগ্রী প্রদর্শন করছে ৮টি পোশাক উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া, তৈরি পোশাকশিল্পের আরও ২টি প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে।
মেলবোর্নে গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপোতে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রনি চাকমা ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেরি কিনসেলা।
এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মুরাদ ইউসুফ।
প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৪৫০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ আয়োজন পণ্য প্রদর্শনী, নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে আমদানি ও রপ্তানিকারক এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই তৈরি পোশাক সামগ্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার ৩৮তম বাণিজ্যিক অংশীদার।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।