
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর স্কুলে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্কুলের বাংলা মাধ্যম পরিচালনা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. সৈয়দ ওমর ফারুক, ইংরেজি মাধ্যমের পরিচালনা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ নাছের, পরিচালনা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, সদস্য, স্কুলের অধ্যক্ষ, শিক্ষক শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা।
পরে ১৯৭১ সালে মহান মক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শেষে দুই মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ পর্বে ছিল কবিতা আবৃতি, একক গান, নৃত্য ও দলীয় সংগীত।

সৌদি আরবের জেদ্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর স্কুলে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্কুলের বাংলা মাধ্যম পরিচালনা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. সৈয়দ ওমর ফারুক, ইংরেজি মাধ্যমের পরিচালনা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ নাছের, পরিচালনা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, সদস্য, স্কুলের অধ্যক্ষ, শিক্ষক শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা।
পরে ১৯৭১ সালে মহান মক্তিযুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শেষে দুই মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ পর্বে ছিল কবিতা আবৃতি, একক গান, নৃত্য ও দলীয় সংগীত।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।