
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

প্রতি বছরের মতো এ বছরও পবিত্র রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিথ্যাত সুগন্ধি তৈরির প্রতিষ্ঠান আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপ অব কোম্পানির উদ্যোগে হয়েছে খতমে কোরআন, দোয়া ও ইফতার মাহফিল।
শনিবার (১৫ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসীদের বৃহত্তম এ ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, প্রবাসী কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় এবং ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহতাবুর রহমান নাসির (সিআইপি)।
অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যান মুনিরা রহমান।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির বলেন, স্থানীয়সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে হারামাইন পারফিউম কোম্পানির এই আয়োজন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। অতীতের চেয়েও বেশিসংখ্যক নারী-পুরুষ এতে অংশ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর সবাই একসঙ্গে সম্মিলিতভাবে ইফতার করার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। আল্লাহ আমাকে সুযোগ দিয়েছেন, আয়োজনের জন্য যথেষ্ট জায়গাও ছিল। দেশ বিদেশের বিভিন্ন অতিথিরা এসেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে এবারে ১০ হাজারেও বেশি লোক সমাগম হয়েছে। এতেই আমি আনন্দবোধ করছি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মুনিরা রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে আল হারামাইন পারফিউমের সুগন্ধি বাজারে আসার পর থেকে এর খ্যাতি ক্রমশই বৃদ্ধি পায়। প্রতিষ্ঠানটির সুগন্ধি সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয়।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও পবিত্র রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিথ্যাত সুগন্ধি তৈরির প্রতিষ্ঠান আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপ অব কোম্পানির উদ্যোগে হয়েছে খতমে কোরআন, দোয়া ও ইফতার মাহফিল।
শনিবার (১৫ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসীদের বৃহত্তম এ ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, প্রবাসী কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় এবং ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহতাবুর রহমান নাসির (সিআইপি)।
অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন কোম্পানির বর্তমান চেয়ারম্যান মুনিরা রহমান।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির বলেন, স্থানীয়সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে হারামাইন পারফিউম কোম্পানির এই আয়োজন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। অতীতের চেয়েও বেশিসংখ্যক নারী-পুরুষ এতে অংশ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর সবাই একসঙ্গে সম্মিলিতভাবে ইফতার করার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। আল্লাহ আমাকে সুযোগ দিয়েছেন, আয়োজনের জন্য যথেষ্ট জায়গাও ছিল। দেশ বিদেশের বিভিন্ন অতিথিরা এসেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে এবারে ১০ হাজারেও বেশি লোক সমাগম হয়েছে। এতেই আমি আনন্দবোধ করছি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মুনিরা রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে আল হারামাইন পারফিউমের সুগন্ধি বাজারে আসার পর থেকে এর খ্যাতি ক্রমশই বৃদ্ধি পায়। প্রতিষ্ঠানটির সুগন্ধি সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে