
বিডিজেন ডেস্ক

স্পেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে নেওয়া প্রধান কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরে রাষ্ট্রদূত ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত ২টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় বায়ান্নোর মহান ভাষা আন্দোলনে প্রাণোৎসর্গকারী শহীদ আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ সব ভাষা শহীদ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলা ভাষা এবং বাংলাদেশের আবহমানকালের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশে প্রবাসীদের, বিশেষত তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার গৌরবময় বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির অব্যাহত উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

স্পেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে মাদ্রিদের বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে নেওয়া প্রধান কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরে রাষ্ট্রদূত ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত ২টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় বায়ান্নোর মহান ভাষা আন্দোলনে প্রাণোৎসর্গকারী শহীদ আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ সব ভাষা শহীদ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলা ভাষা এবং বাংলাদেশের আবহমানকালের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশে প্রবাসীদের, বিশেষত তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ এবং জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার গৌরবময় বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির অব্যাহত উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে