
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিডনি বিল্ড এক্সপোতে অবকাঠামো উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডেটা-নির্ভর প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেন, কীভাবে প্রচলিত স্থির ডিজাইন থেকে অবকাঠামো ধীরে ধীরে অভিযোজনক্ষম ও বুদ্ধিমান সিস্টেমে রূপ নিচ্ছে।
প্যানেল আলোচনায় future-ready construction, স্মার্ট অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়নের নানা দিক উঠে আসে।
এ ছাড়া, একটি ওয়ার্কশপে ‘গ্রিন রুফ’ বা সবুজ ছাদকে উচ্চ-কার্যক্ষম অবকাঠামো হিসেবে তুলে ধরা হয়। এতে দেখানো হয়, কীভাবে এই প্রযুক্তি নগর পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিন রুফ ব্যবহারের মাধ্যমে—
✔ বন্যার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত পানি প্রবাহ কমানো সম্ভব
✔ কুলিং চাহিদা হ্রাস পায়, যা ডেটা সেন্টার ও নগর উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
✔ অবকাঠামো হয়ে ওঠে আরও সহনশীল ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, যারা ডেটা সেন্টার বা বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এ ধরনের উদ্ভাবনী ধারণা প্রকল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে SMEC (একটি SJ Group কোম্পানি) তাদের কার্যক্রম ও দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে।
এ ছাড়া, গবেষণায় সহায়তার জন্য আতাউর রহমান ও মো আবদুল আলীমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তারা ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিডনি বিল্ড এক্সপোতে অবকাঠামো উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডেটা-নির্ভর প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেন, কীভাবে প্রচলিত স্থির ডিজাইন থেকে অবকাঠামো ধীরে ধীরে অভিযোজনক্ষম ও বুদ্ধিমান সিস্টেমে রূপ নিচ্ছে।
প্যানেল আলোচনায় future-ready construction, স্মার্ট অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়নের নানা দিক উঠে আসে।
এ ছাড়া, একটি ওয়ার্কশপে ‘গ্রিন রুফ’ বা সবুজ ছাদকে উচ্চ-কার্যক্ষম অবকাঠামো হিসেবে তুলে ধরা হয়। এতে দেখানো হয়, কীভাবে এই প্রযুক্তি নগর পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিন রুফ ব্যবহারের মাধ্যমে—
✔ বন্যার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত পানি প্রবাহ কমানো সম্ভব
✔ কুলিং চাহিদা হ্রাস পায়, যা ডেটা সেন্টার ও নগর উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
✔ অবকাঠামো হয়ে ওঠে আরও সহনশীল ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, যারা ডেটা সেন্টার বা বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এ ধরনের উদ্ভাবনী ধারণা প্রকল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে SMEC (একটি SJ Group কোম্পানি) তাদের কার্যক্রম ও দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে।
এ ছাড়া, গবেষণায় সহায়তার জন্য আতাউর রহমান ও মো আবদুল আলীমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তারা ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে