
বিডিজেন ডেস্ক

`প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৪’।
এ উপলক্ষে ১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং রিয়াদে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।
এ ছাড়া, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ সৌদি আরবে নিয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি জানান আগামী এক দশকে সৌদি আরবে ২০২৭ সালে এএফসি এশিয়া কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা, ২০২৯ সালে শীতকালীন এশিয়ান অলিম্পিক, ২০৩০ সালে ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০৩৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও, নিওম, রেড সি, কিদ্দিয়া, গ্রিন রিয়াদ, আমালা, দিরিয়া, রোশন ইত্যাদি গিগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ফলে সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন অনেক প্রবাসী ভাষা না শিখে এবং দক্ষতা অর্জন না করে সৌদি আরবে এসে বিপদে পড়েন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন টেকন্যিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) হতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এস এম রকিব উল্লাহ বলেন, সৌদি সরকার বর্তমানে বাংলাদেশে স্কিল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩৩টি পেশায় বাংলাদেশে পরীক্ষা নিয়ে সৌদি সরকার দক্ষতার সনদ প্রদান করছে। তিনি দক্ষতা অর্জন করে দক্ষতার সনদ নিয়ে সৌদি আরবে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সৌদি আরবের আইন-কানুন ও রীতিনীতি মেনে চলার জন্য সৌদিপ্রবাসী সকল বাংলাদেশিকে অনুরোধ জানান।
তিনি সকল শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিকে বৈধ পথে কষ্টার্জিত আয় প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানান। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা না পাঠাতে সকলকে অনুরোধ করেন। তিনি প্রবাসে সকল বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার ও আহ্বান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ রেজাউল করীম, মিনিস্টার কনস্যুলার ব্যারিস্টার মোশারফ হোসেন, মিনিস্টার ইকোনোমিক মর্তুজা জুলকারনাইন নোমান, শ্রম কাউন্সেলর মুহাম্মাদ রেজায়ে রাব্বীসহ দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর শহীদ, জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং সকল প্রবাসী ও বাংলাদেশের সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

`প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস ২০২৪’।
এ উপলক্ষে ১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং রিয়াদে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।
এ ছাড়া, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ সৌদি আরবে নিয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি জানান আগামী এক দশকে সৌদি আরবে ২০২৭ সালে এএফসি এশিয়া কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা, ২০২৯ সালে শীতকালীন এশিয়ান অলিম্পিক, ২০৩০ সালে ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০৩৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও, নিওম, রেড সি, কিদ্দিয়া, গ্রিন রিয়াদ, আমালা, দিরিয়া, রোশন ইত্যাদি গিগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ফলে সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন অনেক প্রবাসী ভাষা না শিখে এবং দক্ষতা অর্জন না করে সৌদি আরবে এসে বিপদে পড়েন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন টেকন্যিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) হতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এস এম রকিব উল্লাহ বলেন, সৌদি সরকার বর্তমানে বাংলাদেশে স্কিল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩৩টি পেশায় বাংলাদেশে পরীক্ষা নিয়ে সৌদি সরকার দক্ষতার সনদ প্রদান করছে। তিনি দক্ষতা অর্জন করে দক্ষতার সনদ নিয়ে সৌদি আরবে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সৌদি আরবের আইন-কানুন ও রীতিনীতি মেনে চলার জন্য সৌদিপ্রবাসী সকল বাংলাদেশিকে অনুরোধ জানান।
তিনি সকল শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিকে বৈধ পথে কষ্টার্জিত আয় প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানান। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা না পাঠাতে সকলকে অনুরোধ করেন। তিনি প্রবাসে সকল বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার ও আহ্বান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ রেজাউল করীম, মিনিস্টার কনস্যুলার ব্যারিস্টার মোশারফ হোসেন, মিনিস্টার ইকোনোমিক মর্তুজা জুলকারনাইন নোমান, শ্রম কাউন্সেলর মুহাম্মাদ রেজায়ে রাব্বীসহ দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর শহীদ, জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং সকল প্রবাসী ও বাংলাদেশের সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে