
বিডিজেন ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং মানবাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতি বছরের মতো এবারও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস (ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে)।
গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) প্যারিসের সিটি হলে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এই আয়োজনে বাংলাদেশি সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশি সাংবাদিক হিসেবে এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, গবেষক এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে Maison des journalistes এবং City of Paris, যারা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও ঝুঁকির মুখে থাকা সাংবাদিকদের সহায়তা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে কাজ করে আসছে।
অনুষ্ঠানে প্যারিস সিটির মেয়র Emmanuel Grégoire প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তার উপস্থিতি এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব যোগ করে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শহর প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানকে তুলে ধরে। তিনি বক্তব্যে স্বাধীন সাংবাদিকতার গুরুত্ব এবং মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়াকে ‘একটি বড় সম্মান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন শাহাবুদ্দিন শুভ। তিনি বলেন, “বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজনে আবারও অংশ নিতে পারা সত্যিই গর্বের। এখানে এসে বিভিন্ন দেশের সাহসী কণ্ঠগুলোর সঙ্গে দাঁড়াতে পারা, যারা সত্য, স্বাধীনতা এবং মানবতার পক্ষে কাজ করছেন—এটি আমার জন্য অনুপ্রেরণার।”
এ সময় সংগঠনের প্রেসিডেন্ট Albéric de Gouville উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “স্বাধীন সাংবাদিকতা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। যারা সত্য তুলে ধরার জন্য ঝুঁকি নেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তারা বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার, মতপ্রকাশের ওপর চাপ এবং নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুরক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। বিশেষ করে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল ও স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় কাজ করা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ছিল এক ধরনের আন্তর্জাতিক সংহতির প্ল্যাটফর্ম—যেখানে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ খোঁজেন।
শাহাবুদ্দিন শুভ আরও বলেন, “এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম আমাদের নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, শক্তি জোগায় এবং আমাদের কাজের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব—সমাজের কাছে, সত্যের কাছে।”
উল্লেখ্য, বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবস প্রতি বছর ৩ মে পালিত হয়, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং মানবাধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতি বছরের মতো এবারও ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস (ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে)।
গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) প্যারিসের সিটি হলে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এই আয়োজনে বাংলাদেশি সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশি সাংবাদিক হিসেবে এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, গবেষক এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে Maison des journalistes এবং City of Paris, যারা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও ঝুঁকির মুখে থাকা সাংবাদিকদের সহায়তা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে কাজ করে আসছে।
অনুষ্ঠানে প্যারিস সিটির মেয়র Emmanuel Grégoire প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তার উপস্থিতি এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব যোগ করে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শহর প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানকে তুলে ধরে। তিনি বক্তব্যে স্বাধীন সাংবাদিকতার গুরুত্ব এবং মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়াকে ‘একটি বড় সম্মান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন শাহাবুদ্দিন শুভ। তিনি বলেন, “বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজনে আবারও অংশ নিতে পারা সত্যিই গর্বের। এখানে এসে বিভিন্ন দেশের সাহসী কণ্ঠগুলোর সঙ্গে দাঁড়াতে পারা, যারা সত্য, স্বাধীনতা এবং মানবতার পক্ষে কাজ করছেন—এটি আমার জন্য অনুপ্রেরণার।”
এ সময় সংগঠনের প্রেসিডেন্ট Albéric de Gouville উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “স্বাধীন সাংবাদিকতা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। যারা সত্য তুলে ধরার জন্য ঝুঁকি নেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তারা বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার, মতপ্রকাশের ওপর চাপ এবং নির্যাতিত সাংবাদিকদের সুরক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। বিশেষ করে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল ও স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় কাজ করা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ছিল এক ধরনের আন্তর্জাতিক সংহতির প্ল্যাটফর্ম—যেখানে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ খোঁজেন।
শাহাবুদ্দিন শুভ আরও বলেন, “এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম আমাদের নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, শক্তি জোগায় এবং আমাদের কাজের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব—সমাজের কাছে, সত্যের কাছে।”
উল্লেখ্য, বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবস প্রতি বছর ৩ মে পালিত হয়, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে