
বিডিজেন ডেস্ক

উৎসবমুখর আবহের মধ্য দিয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস আজ (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসের শুরুতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হকের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এরপর দূতাবাসের মিলনায়তনে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত মহান স্বাধীনতা দিবসের ওপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে যে স্বাধীনতার নবীন সূর্য উদিত হয়েছিল, তার আভায় উচ্ছ্বসিত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে বাংলাদেশকে আরও গৌরবময় ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাব।

রাষ্ট্রদূত তাuর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা মা বোনদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা এবং জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রবর্তন এবং এর আলোকে প্রতিবেশী দেশসমূহ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শহীদ জিয়াউর রহমানের বাস্তববাদী ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বৈশ্বিক পরিসরে শান্তি, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ ও অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উৎসবমুখর আবহের মধ্য দিয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস আজ (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দিবসের শুরুতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হকের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এরপর দূতাবাসের মিলনায়তনে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত মহান স্বাধীনতা দিবসের ওপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে যে স্বাধীনতার নবীন সূর্য উদিত হয়েছিল, তার আভায় উচ্ছ্বসিত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে বাংলাদেশকে আরও গৌরবময় ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাব।

রাষ্ট্রদূত তাuর বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা মা বোনদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা এবং জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রবর্তন এবং এর আলোকে প্রতিবেশী দেশসমূহ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল দেশের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ শহীদ জিয়াউর রহমানের বাস্তববাদী ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বৈশ্বিক পরিসরে শান্তি, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ ও অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে