
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে 'পাসপোর্ট ডিসিস অ্যামবেসি ট্যুর ২০২৫' অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ওপেন হাউস'। স্থানীয় সময় শনিবার (৩ মে) দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে জামদানি ও টাঙ্গাইল শাড়িসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের বেশ কয়েকটি স্টল ছিল।

দূতাবাসের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দর্শনার্থীরা পোস্টার, লিফলেট ও বই সংগ্রহ করেন। এসবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মহান ভাষা আন্দোলন ও দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং দর্শনীয় পর্যটন স্থানগুলোকে তুলে ধরা হয়।
দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এবং তাদের সন্তানেরা দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠান দেখতে বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হন। অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে 'পাসপোর্ট ডিসিস অ্যামবেসি ট্যুর ২০২৫' অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ওপেন হাউস'। স্থানীয় সময় শনিবার (৩ মে) দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে জামদানি ও টাঙ্গাইল শাড়িসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের বেশ কয়েকটি স্টল ছিল।

দূতাবাসের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দর্শনার্থীরা পোস্টার, লিফলেট ও বই সংগ্রহ করেন। এসবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, মহান ভাষা আন্দোলন ও দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং দর্শনীয় পর্যটন স্থানগুলোকে তুলে ধরা হয়।
দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এবং তাদের সন্তানেরা দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠান দেখতে বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হন। অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।