
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ইউএইর আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মরহুম আব্দুল কুদ্দুস খালেক ও নূর হোসেন সুমন এবং আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আবুল বশর সিআইপির মায়ের মৃত্যুতে এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
গত শুক্রবার (১ মে) আবুধাবির সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টে বিএনপির আবুধাবি শাখা এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
এতে সভাপতিত্ব করেন আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার। সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউএই শাখার যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম তালুকদার।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নূর হোসেন সুমন, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, আমিনুল ইসলাম টিপু, শওকত ওসমান রানা, আতাউর রহমান আতা, আবু ইউছুফ জসীম, সাগর হোসেন সাগর, আইয়ুব আলী, আবু রাসেল, ইলিয়াস ভূইয়া, ওবায়দুল হক রোকন সিআইপি, ইব্রাহীম খলিল, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম টিপু, আরিফ উদ্দিন, সাইফ তারেক, সলিমুল্লাহ সেলিম, জসিম উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন মীর নাসির উদ্দিন। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবু তাহের, আব্দুল মান্নান, নুরুল হক, বখতিয়ার, বাদশাহ, ইকবাল হোসেন, ইমরান হোসেন, সোহাগ হোসেন, রাফসানসহ আরও অনেকে।
মাহফিলে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তাদের প্রয়াত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহেরও মাগফিরাত ও দেশ জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ইউএইর আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মরহুম আব্দুল কুদ্দুস খালেক ও নূর হোসেন সুমন এবং আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আবুল বশর সিআইপির মায়ের মৃত্যুতে এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
গত শুক্রবার (১ মে) আবুধাবির সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টে বিএনপির আবুধাবি শাখা এই শোক সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
এতে সভাপতিত্ব করেন আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার। সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউএই শাখার যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম তালুকদার।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নূর হোসেন সুমন, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, আমিনুল ইসলাম টিপু, শওকত ওসমান রানা, আতাউর রহমান আতা, আবু ইউছুফ জসীম, সাগর হোসেন সাগর, আইয়ুব আলী, আবু রাসেল, ইলিয়াস ভূইয়া, ওবায়দুল হক রোকন সিআইপি, ইব্রাহীম খলিল, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম টিপু, আরিফ উদ্দিন, সাইফ তারেক, সলিমুল্লাহ সেলিম, জসিম উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন মীর নাসির উদ্দিন। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আবু তাহের, আব্দুল মান্নান, নুরুল হক, বখতিয়ার, বাদশাহ, ইকবাল হোসেন, ইমরান হোসেন, সোহাগ হোসেন, রাফসানসহ আরও অনেকে।
মাহফিলে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তাদের প্রয়াত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহেরও মাগফিরাত ও দেশ জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে