
বিডিজেন ডেস্ক

এ বছরের নভেম্বর মাসে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ পরবর্তী সময়ে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে একটি গ্রেস পিরিয়ড সম্প্রসারণের বিষয়ে সুইজারল্যান্ড সরকারের বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ জানিয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে সুইস কনফেডারেশনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং সুইস কনফেডারেশনের ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাষ্ট্রদূত মার্কাস লাইতনারের মধ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অনুরোধটি উত্থাপিত হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং একই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেন সংকট এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার চলমান অস্থিরতা—এই তিনটি ধারাবাহিক বাহ্যিক ধাক্কা বাংলাদেশের সুষ্ঠু উত্তরণ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গ্রেস পিরিয়ড সম্প্রসারণ করা হলে এলডিসিসংক্রান্ত সুবিধা প্রত্যাহারের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে কার্যকরভাবে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হবে। সুইস পক্ষ এ বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধটি গুরুত্বসহকারে নোট করেছে।
এ ছাড়াও, নিয়মিত দুই বছর পর ২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের বিষয়টি দুই পক্ষের মধ্যে আলোচিত হয়। দিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে মে মাসে এফওসি আয়োজনের বিষয়ে সুইস পক্ষ নীতিগতভাবে সম্মতি প্রদান করে।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান চলতি বছরের মধ্যে বার্নে বাংলাদেশের একটি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দ্রুততর করার অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত মার্কাস লাইতনার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং মন্তব্য করেন, নতুন মিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের দিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। বিজ্ঞপ্তি

এ বছরের নভেম্বর মাসে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ পরবর্তী সময়ে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে একটি গ্রেস পিরিয়ড সম্প্রসারণের বিষয়ে সুইজারল্যান্ড সরকারের বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ জানিয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে সুইস কনফেডারেশনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং সুইস কনফেডারেশনের ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাষ্ট্রদূত মার্কাস লাইতনারের মধ্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অনুরোধটি উত্থাপিত হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং একই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেন সংকট এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার চলমান অস্থিরতা—এই তিনটি ধারাবাহিক বাহ্যিক ধাক্কা বাংলাদেশের সুষ্ঠু উত্তরণ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গ্রেস পিরিয়ড সম্প্রসারণ করা হলে এলডিসিসংক্রান্ত সুবিধা প্রত্যাহারের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে কার্যকরভাবে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হবে। সুইস পক্ষ এ বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধটি গুরুত্বসহকারে নোট করেছে।
এ ছাড়াও, নিয়মিত দুই বছর পর ২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের বিষয়টি দুই পক্ষের মধ্যে আলোচিত হয়। দিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে মে মাসে এফওসি আয়োজনের বিষয়ে সুইস পক্ষ নীতিগতভাবে সম্মতি প্রদান করে।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান চলতি বছরের মধ্যে বার্নে বাংলাদেশের একটি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দ্রুততর করার অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত মার্কাস লাইতনার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং মন্তব্য করেন, নতুন মিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের দিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। বিজ্ঞপ্তি
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।