
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক নির্মাণ ও অবকাঠামো বিষয়ক বৃহৎ আয়োজন সিডনি বিল্ড এক্সপো ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাউর রহমান।
কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) আইসিসি সিডনিতে আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেশন ও কর্মশালায় বক্তব্য দেবেন।
তিনি অংশ নেবেন ‘ফিউচার–রেডি কন্সট্রাকশ: অ্যাডাপটিং টু নিউ টেকনোলজিস অ্যান্ড মেথডস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায়। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এ আলোচনায় তার সঙ্গে থাকবেন আরও কয়েকজন আলোচক।
একই দিন বিকেল ৩টায় ‘গ্রিন রুফস অ্যান্ড লিভিনিং ওয়ালস: ডিজাইনিং সাসটেইনেবল আরবান ইকোসিস্টেমস’ শীর্ষক একটি কর্মশালায়ও তিনি অংশ নেবেন।
মোহাম্মদ আতাউর রহমানের আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডেটার মাধ্যমে অবকাঠামোগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিবর্তন, প্রচলিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার পরিবর্তে অভিযোজিত ও স্মার্ট পানি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর বাস্তব কার্যকারিতা ও মূল্যায়ন। এ ছাড়া ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনায় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে।
তিনি জানান, এসএমইসিতে (একটি SJ Group কোম্পানি) কাজ করার অভিজ্ঞতায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে দেখছেন, কীভাবে পানি ব্যবস্থাপনা, স্টর্মওয়াটার ও নগর নকশায় নতুন উদ্ভাবন কমিউনিটির জন্য আরও কার্যকর সমাধান তৈরি করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবাসী পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বৈশ্বিক নির্মাণ খাতে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, সরাসরি উপস্থিত হয়ে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে।
মোহাম্মদ আতাউর রহমান তার একাডেমিক পথচলায় দিক নির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য তার সুপারভাইজার প্রফেসর আতাউর রহমান এবং সহ-সুপারভাইজার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির ড. মো. আব্দুল আলিমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক নির্মাণ ও অবকাঠামো বিষয়ক বৃহৎ আয়োজন সিডনি বিল্ড এক্সপো ২০২৬-এ অংশ নিচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাউর রহমান।
কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) আইসিসি সিডনিতে আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেশন ও কর্মশালায় বক্তব্য দেবেন।
তিনি অংশ নেবেন ‘ফিউচার–রেডি কন্সট্রাকশ: অ্যাডাপটিং টু নিউ টেকনোলজিস অ্যান্ড মেথডস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায়। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এ আলোচনায় তার সঙ্গে থাকবেন আরও কয়েকজন আলোচক।
একই দিন বিকেল ৩টায় ‘গ্রিন রুফস অ্যান্ড লিভিনিং ওয়ালস: ডিজাইনিং সাসটেইনেবল আরবান ইকোসিস্টেমস’ শীর্ষক একটি কর্মশালায়ও তিনি অংশ নেবেন।
মোহাম্মদ আতাউর রহমানের আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডেটার মাধ্যমে অবকাঠামোগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিবর্তন, প্রচলিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার পরিবর্তে অভিযোজিত ও স্মার্ট পানি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর বাস্তব কার্যকারিতা ও মূল্যায়ন। এ ছাড়া ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনায় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে।
তিনি জানান, এসএমইসিতে (একটি SJ Group কোম্পানি) কাজ করার অভিজ্ঞতায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে দেখছেন, কীভাবে পানি ব্যবস্থাপনা, স্টর্মওয়াটার ও নগর নকশায় নতুন উদ্ভাবন কমিউনিটির জন্য আরও কার্যকর সমাধান তৈরি করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবাসী পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বৈশ্বিক নির্মাণ খাতে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, সরাসরি উপস্থিত হয়ে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে।
মোহাম্মদ আতাউর রহমান তার একাডেমিক পথচলায় দিক নির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য তার সুপারভাইজার প্রফেসর আতাউর রহমান এবং সহ-সুপারভাইজার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির ড. মো. আব্দুল আলিমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।