
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার উদ্যোগে মহান মে দিবস ও বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৫ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাংয়ে পিঠাঘর রেস্টুরেন্টে আলোচনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম রতন। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈশাখী টেলিভিশনের হেড অব নিউজ জিয়াউল কবির সুমন।
সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস। আরও বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতা মো. কাজী সালাউদ্দিন, যুবনেতা মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাংবাদিক মো. আলী, বিডিএফসি মালয়েশিয়ার সভাপতি আবদুল মবিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রবাসীদের সংবাদ প্রচারে টেলিভিশন চ্যানেলে আরও বেশি সময় বরাদ্দের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমরাও চাই প্রবাসীদের খবরাখবর আরও বেশি প্রচার করতে। এ জন্য আমাদের টিভি চ্যানেলে প্রবাসীর সংবাদ নামে আলাদা সময় রেখেছি। কিন্তু, প্রবাস থেকে সবসময় যথেষ্ট সংবাদ পাওয়া যায় না। নিউজ ক্রাইসিসে পড়তে হয়। মাঝে মাঝে ভিডিওর সাউন্ড ভালো থাকে না, ফ্রেম ভালো থাকে না। তাই প্রবাসীদের সংবাদ আরও বেশি প্রচারে সমস্যা সৃষ্টি হয়।"
কমিউনিটি নেতা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, "আমাদের দেশের প্রায় ৬ শতাংশ মানুষ আমরা প্রবাসে বাস করি। সে হিসেবে মিডিয়ায় ৬ শতাংশ সময় ও কভারেজ প্রবাসীদের সংবাদের জন্য পাওয়ার কথা। আমরা আশা করি, আগামীতে মিডিয়ায় প্রবাসীদের খবর আরও বেশি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করা হবে।"

বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার উদ্যোগে মহান মে দিবস ও বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৫ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাংয়ে পিঠাঘর রেস্টুরেন্টে আলোচনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম রতন। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈশাখী টেলিভিশনের হেড অব নিউজ জিয়াউল কবির সুমন।
সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস। আরও বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতা মো. কাজী সালাউদ্দিন, যুবনেতা মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাংবাদিক মো. আলী, বিডিএফসি মালয়েশিয়ার সভাপতি আবদুল মবিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রবাসীদের সংবাদ প্রচারে টেলিভিশন চ্যানেলে আরও বেশি সময় বরাদ্দের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমরাও চাই প্রবাসীদের খবরাখবর আরও বেশি প্রচার করতে। এ জন্য আমাদের টিভি চ্যানেলে প্রবাসীর সংবাদ নামে আলাদা সময় রেখেছি। কিন্তু, প্রবাস থেকে সবসময় যথেষ্ট সংবাদ পাওয়া যায় না। নিউজ ক্রাইসিসে পড়তে হয়। মাঝে মাঝে ভিডিওর সাউন্ড ভালো থাকে না, ফ্রেম ভালো থাকে না। তাই প্রবাসীদের সংবাদ আরও বেশি প্রচারে সমস্যা সৃষ্টি হয়।"
কমিউনিটি নেতা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, "আমাদের দেশের প্রায় ৬ শতাংশ মানুষ আমরা প্রবাসে বাস করি। সে হিসেবে মিডিয়ায় ৬ শতাংশ সময় ও কভারেজ প্রবাসীদের সংবাদের জন্য পাওয়ার কথা। আমরা আশা করি, আগামীতে মিডিয়ায় প্রবাসীদের খবর আরও বেশি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করা হবে।"
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।