
বিডিজেন ডেস্ক

উচ্চশিক্ষার জন্য চীন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। দেশটির উচ্চশিক্ষাও আগের চেয়ে বেশ ভালো ও উন্নতমানের। এ কারণে গত বেশ কিছু বছর ধরেই চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বেড়ে গেছে।
বিনা খরচে চীনে উচ্চশিক্ষায় আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে ‘ইয়েনচিং একাডেমি স্কলারশিপ’। এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতকোত্তরে প্রতি বছর বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয় দেশটির পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়েনচিং একাডেমি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
অন্তত ৬টি বিষয়ে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। ইয়েনচিং একাডেমিতে ফ্রি থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে প্রতি দুজন শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে কক্ষ বরাদ্দ থাকবে। রয়েছে চিকিৎসা বীমা ও রাউন্ড-ট্রিপ ভ্রমণ ভাতাও।
অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব, দর্শন ও ধর্ম, রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন ও সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অধীনে কোনো বিষয় নিয়ে করা যাবে স্নাতকোত্তর।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
প্রার্থীদের অবশ্যই ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনের সময় স্নাতকে ভর্তি থাকলে হবে না। আগ্রহী প্রার্থীদের একাডেমিক ফল বেশ ভালো হতে হবে। ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে এবং সনদ থাকতে হবে। তবে এক বছর আগের আইইএলটিএস বা টোফেলের সনদ গ্রহণ করা হবে না। আইইএলটিএসে স্কোর ৭ চাওয়া হয়। আর টোফেলের স্কোর হতে হবে ১০০।
বয়স ২৩-২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। নারী-পুরুষ উভয়ে এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ব্যক্তিগত বিবৃতির ফরম, গবেষণা প্রবন্ধ, সিভি, অফিশিয়াল প্রতিলিপি, প্রশংসাপত্র, ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার সার্টিফিকেট ইত্যাদি জমা দিতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সাধারণত প্রতি বছরের আগস্টে আবেদন আহ্বান করা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারেন আরও তথ্য।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

উচ্চশিক্ষার জন্য চীন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। দেশটির উচ্চশিক্ষাও আগের চেয়ে বেশ ভালো ও উন্নতমানের। এ কারণে গত বেশ কিছু বছর ধরেই চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগ্রহ বেড়ে গেছে।
বিনা খরচে চীনে উচ্চশিক্ষায় আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে ‘ইয়েনচিং একাডেমি স্কলারশিপ’। এই স্কলারশিপের আওতায় স্নাতকোত্তরে প্রতি বছর বিনা খরচে পড়ার সুযোগ দেয় দেশটির পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়েনচিং একাডেমি।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
অন্তত ৬টি বিষয়ে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। ইয়েনচিং একাডেমিতে ফ্রি থাকার ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে প্রতি দুজন শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে কক্ষ বরাদ্দ থাকবে। রয়েছে চিকিৎসা বীমা ও রাউন্ড-ট্রিপ ভ্রমণ ভাতাও।
অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব, দর্শন ও ধর্ম, রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন ও সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অধীনে কোনো বিষয় নিয়ে করা যাবে স্নাতকোত্তর।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
প্রার্থীদের অবশ্যই ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনের সময় স্নাতকে ভর্তি থাকলে হবে না। আগ্রহী প্রার্থীদের একাডেমিক ফল বেশ ভালো হতে হবে। ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে এবং সনদ থাকতে হবে। তবে এক বছর আগের আইইএলটিএস বা টোফেলের সনদ গ্রহণ করা হবে না। আইইএলটিএসে স্কোর ৭ চাওয়া হয়। আর টোফেলের স্কোর হতে হবে ১০০।
বয়স ২৩-২৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। নারী-পুরুষ উভয়ে এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ব্যক্তিগত বিবৃতির ফরম, গবেষণা প্রবন্ধ, সিভি, অফিশিয়াল প্রতিলিপি, প্রশংসাপত্র, ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার সার্টিফিকেট ইত্যাদি জমা দিতে হবে।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সাধারণত প্রতি বছরের আগস্টে আবেদন আহ্বান করা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারেন আরও তথ্য।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষভাবে প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ‘কুইন এলিজাবেথ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ’ এর আওতায় যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পাড়াশোনার সুযোগ।