
বিডিজেন ডেস্ক

প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের তিন সপ্তাহব্যাপী এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সুযোগ দেয় হ্যানসেন লিডারশিপ ইনস্টিটিউট (এইচএলআই)। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ভালো যোগাযোগের পথ তৈরি হয়। এতে করে আপনি সহজেই দেশটিতে পড়াশোনা কিংবা কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। এই ইনস্টিটিউট থেকে পাবেন সব ধরনের সুবিধা।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই প্রোগ্রামের আওতায় আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা, পরিবহনের সুবিধা, প্রোগ্রামের সরঞ্জাম, খাবার, ভিসা ফি ও নিজ দেশ থেকে যাতায়াতে বিমান টিকিট দেওয়া হয়। কার্যকর, নৈতিক ও দূরদর্শী নেতৃত্বের নীতি, অনুশীলন এবং মনোবিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। হ্যানসেন ফেলোকে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনকারী ও পাবলিক স্পিকার হতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সংঘাত সমাধানের অনেক পরিস্থিতিতে মানবাধিকার বিষয়গুলো জড়িত। সুতরাং, এইচএলআই ফেলোরাও একজন মানবাধিকার কর্মী এবং বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন, যার এই ক্ষেত্রে ব্যাপক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। জেন্ডার ইস্যুতেও ট্রেনিং দেওয়া হয়।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
উচ্চ বিভাগের স্নাতক যেমন ২ বছরের কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়ন করতে হবে। অথবা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পেশাদার আগ্রহসহ স্নাতকে পড়া থাকতে হবে। প্রোগ্রামের শুরুতে বয়স ২০-২৫ এর মধ্যে হতে হবে। একজন একাডেমিক উপদেষ্টার কাছ থেকে ইংরেজি দক্ষতার সনদ লাগবে। প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার সময় প্রয়োজনে মার্কিন ভিসার সাথে একটি বৈধ আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট রাখুন। যারা কখনো যুক্তরাষ্ট্রে যাননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য মার্কিন ভিসার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে নির্বাচিত হন, তারা আপনার মার্কিন ভিসা আবেদনে সহায়তা করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন প্রদান করে। এর মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্যতা পত্র, আর্থিক সহায়তার সংজ্ঞায়িত একটি চিঠি, সান দিয়েগো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জারি করা একটি DS-2019।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আবেদনের সময় আপনি যখন আপনার নাম ও ইমেল ঠিকানা জমা দেন, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ ইন করার নির্দেশাবলীসহ একটি ইমেল পাবেন। আপনার ইংরেজি দক্ষতা যাচাই সম্পূর্ণ করার জন্য কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেবেন। এই যাচাইকরণ তাদের সুপারিশ ফর্মের সাথে জমা দেওয়া হবে। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া; এতে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দিতে হবে না।
আবেদন করা যায় অনলাইনেই। প্রতি বছরের প্রোগ্রামের জন্য আগের বছরের শেষদিকে আবেদন আহ্বান করা হয়। আবেদন করা যায় জানুয়ারি পর্যন্ত। আবেদনের পর ফেব্রুয়ারিতে তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর মার্চে জানানো হবে ফলাফল। সাধারণত এই প্রোগ্রাম শুরু হয় জুলাই মাসে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

প্রতি বছর বিদেশি শিক্ষার্থীদের তিন সপ্তাহব্যাপী এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সুযোগ দেয় হ্যানসেন লিডারশিপ ইনস্টিটিউট (এইচএলআই)। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ভালো যোগাযোগের পথ তৈরি হয়। এতে করে আপনি সহজেই দেশটিতে পড়াশোনা কিংবা কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। এই ইনস্টিটিউট থেকে পাবেন সব ধরনের সুবিধা।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই প্রোগ্রামের আওতায় আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা, পরিবহনের সুবিধা, প্রোগ্রামের সরঞ্জাম, খাবার, ভিসা ফি ও নিজ দেশ থেকে যাতায়াতে বিমান টিকিট দেওয়া হয়। কার্যকর, নৈতিক ও দূরদর্শী নেতৃত্বের নীতি, অনুশীলন এবং মনোবিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। হ্যানসেন ফেলোকে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনকারী ও পাবলিক স্পিকার হতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সংঘাত সমাধানের অনেক পরিস্থিতিতে মানবাধিকার বিষয়গুলো জড়িত। সুতরাং, এইচএলআই ফেলোরাও একজন মানবাধিকার কর্মী এবং বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন, যার এই ক্ষেত্রে ব্যাপক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। জেন্ডার ইস্যুতেও ট্রেনিং দেওয়া হয়।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
উচ্চ বিভাগের স্নাতক যেমন ২ বছরের কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়ন করতে হবে। অথবা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পেশাদার আগ্রহসহ স্নাতকে পড়া থাকতে হবে। প্রোগ্রামের শুরুতে বয়স ২০-২৫ এর মধ্যে হতে হবে। একজন একাডেমিক উপদেষ্টার কাছ থেকে ইংরেজি দক্ষতার সনদ লাগবে। প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার সময় প্রয়োজনে মার্কিন ভিসার সাথে একটি বৈধ আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট রাখুন। যারা কখনো যুক্তরাষ্ট্রে যাননি তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রোগ্রামে আবেদন করার জন্য মার্কিন ভিসার প্রয়োজন নেই। আপনি যদি একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে নির্বাচিত হন, তারা আপনার মার্কিন ভিসা আবেদনে সহায়তা করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন প্রদান করে। এর মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্যতা পত্র, আর্থিক সহায়তার সংজ্ঞায়িত একটি চিঠি, সান দিয়েগো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জারি করা একটি DS-2019।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
আবেদনের সময় আপনি যখন আপনার নাম ও ইমেল ঠিকানা জমা দেন, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ ইন করার নির্দেশাবলীসহ একটি ইমেল পাবেন। আপনার ইংরেজি দক্ষতা যাচাই সম্পূর্ণ করার জন্য কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেবেন। এই যাচাইকরণ তাদের সুপারিশ ফর্মের সাথে জমা দেওয়া হবে। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া; এতে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দিতে হবে না।
আবেদন করা যায় অনলাইনেই। প্রতি বছরের প্রোগ্রামের জন্য আগের বছরের শেষদিকে আবেদন আহ্বান করা হয়। আবেদন করা যায় জানুয়ারি পর্যন্ত। আবেদনের পর ফেব্রুয়ারিতে তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর মার্চে জানানো হবে ফলাফল। সাধারণত এই প্রোগ্রাম শুরু হয় জুলাই মাসে।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
জ্যান নামের একজন শিক্ষার্থী বিডিজেনকে বলেন, বর্তমানে আমি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে বিবিএ শেষ করে অস্ট্রেলিয়াতে এমবিএ করতে চাই। তবে এমবিএ করার ক্ষেত্রে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কি ধরনের স্কলারশিপ দিচ্ছে এসব তথ্য জানার জন্য এসেছি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষভাবে প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ‘কুইন এলিজাবেথ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ’ এর আওতায় যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পাড়াশোনার সুযোগ।