
বিডিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইসরায়েল-ইরান সংকট নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
রাশিয়ার রাষ্টীয় বার্তা সংস্থা তাস–এর বরাত দিয়ে আল–জাজিরা জানিয়েছে, দুই নেতা চলমান সংকট নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
ফোনালাপে পুতিন জানিয়েছেন, এই সংকটে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত। তিনি এ বিষয়ে অন্য আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে হওয়া তাঁর আলোচনার অগ্রগতিও আমিরাতের নেতাকে জানিয়েছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইসরায়েল-ইরান সংকট নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
রাশিয়ার রাষ্টীয় বার্তা সংস্থা তাস–এর বরাত দিয়ে আল–জাজিরা জানিয়েছে, দুই নেতা চলমান সংকট নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
ফোনালাপে পুতিন জানিয়েছেন, এই সংকটে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত। তিনি এ বিষয়ে অন্য আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে হওয়া তাঁর আলোচনার অগ্রগতিও আমিরাতের নেতাকে জানিয়েছেন।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে