
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস চত্বরে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।

এর আগে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত।
পরে দূতাবাস চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে যে সকল অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের সকল শহিদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রের জন্ম ও এই রাষ্ট্রের অগ্রগতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রেখে বিদেশের মাটিতে দেশের জন্য সম্মান বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।

রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তার জন্য রাষ্ট্রদূত তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে প্রবাসীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন সকলের প্রতি আহবান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির মোফাজ্জল হোসেন স্বপন, সবুর আহমেদ ও ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস চত্বরে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।

এর আগে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত।
পরে দূতাবাস চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে যে সকল অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের সকল শহিদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রের জন্ম ও এই রাষ্ট্রের অগ্রগতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রেখে বিদেশের মাটিতে দেশের জন্য সম্মান বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।

রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তার জন্য রাষ্ট্রদূত তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে প্রবাসীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন সকলের প্রতি আহবান জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়।

দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির মোফাজ্জল হোসেন স্বপন, সবুর আহমেদ ও ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।