
হক মো, ইমদাদুল, টোকিও, জাপান

জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার হিরোফুমি আমাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
বুধবার (১২ মার্চ) ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের আওতায় নেওয়া প্রকল্প বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাংলাদেশের রেলওয়ে ও সড়ক খাতে সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
এসময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুততম সময়ে উন্মুক্ত করার জন্য টার্মিনালের কার্গো ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানানো হয়।
মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে কমলাপুর মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব, এমআরটি লাইন সিক্স ও ঢাকা আউটার রিং রোড – ২ ও ৩ প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহযোগিতা কামনা করা হয়।
এ সময় জাপানের প্রকৌশল ও আবাসন বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস মিনিস্টার ইওসুকে সুৎসুমি ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, রেলসচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার হিরোফুমি আমাকাওয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।
বুধবার (১২ মার্চ) ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের আওতায় নেওয়া প্রকল্প বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাংলাদেশের রেলওয়ে ও সড়ক খাতে সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
এসময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুততম সময়ে উন্মুক্ত করার জন্য টার্মিনালের কার্গো ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানানো হয়।
মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎকালে কমলাপুর মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব, এমআরটি লাইন সিক্স ও ঢাকা আউটার রিং রোড – ২ ও ৩ প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণে সহযোগিতা কামনা করা হয়।
এ সময় জাপানের প্রকৌশল ও আবাসন বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস মিনিস্টার ইওসুকে সুৎসুমি ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, রেলসচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে