
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন আলোচিত নেতা জোহরান মামদানি।
আজ বুধবার (২ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচন বোর্ড ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জোহরানের বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
গতকাল প্রকাশিত র্যাঙ্কড-চয়েস ভোটের (পছন্দের ক্রমানুযায়ী ৫ জন প্রার্থীকে ভোট দেওয়া) ফলাফলে দেখা গেছে, জোহরান তৃতীয় ধাপে ৫৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন। তৃতীয় ধাপে জয় পেতে একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ ভোট পেতে হয়।
২০২১ সাল থেকে নিউইয়র্কে র্যাঙ্কড চয়েস ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির স্বল্প-পরিচিত সদস্য হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন উগান্ডায় জন্ম নেওয়া জোহরান।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জোহরান নভেম্বরে নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের মুখোমুখি হবেন।
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিসেবে জয় পান এরিক। তবে এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও পরে বিচার বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। এরপর দল থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা একটি নতুন ভিডিওতে জোহরান প্রাইমারিতে পাওয়া এই জয়কে ২০২১ সালে এরিকের নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
মামদানি বলেন, 'আমরা সব সময় ভেবেছি, আমাদের বিজয় আসবে র্যাঙ্কড-চয়েস ভোটের একাধিক ধাপের পর। প্রথম রাউন্ডেই যখন আমরা এত ভোট পেলাম, যা এরিক অ্যাডামস গত নির্বাচনে ৭ রাউন্ড মিলিয়েও পাননি—এটা সত্যিই বিস্ময়কর ছিল।'
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৩৩ বছর বয়সী মামদানি একজন মুসলিম। তিনি নিজেকে গণতন্ত্রপন্থি সমাজতান্ত্রিক হিসেবে পরিচয় দেন। প্রাইমারিতে মধ্যপন্থি অভিজ্ঞ রাজনীতিক অ্যান্ড্রু কুমোকে হারিয়েছেন তিনি।
জোহরান মামদানির জয় মূল ধারার ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে।
তাদের উদ্বেগের মূল কারণ, নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তিনি রিপাবলিকানদের আক্রমণের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন।
নতুন ভিডিওতে জোহরান বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য, মানুষের সমর্থন রিপাবলিকান দল থেকে আবার ডেমোক্রেটিক দলের দিকে ফিরিয়ে আনা।
গত সপ্তাহে প্রাইমারির প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর, অ্যান্ড্রু কুমো প্রতিদ্বন্দ্বী জোহরানকে ফোন করে হার মেনে নিয়েছিলেন। সে সময়ই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পরের কয়েক রাউন্ডেও জোহরানকে টেক্কা দিতে পারবেন না।
চূড়ান্ত গণনায় কুমো ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
দলীয় প্রাইমারিতে হেরে গেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন কুমো। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এটি নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
নভেম্বরে এরিক অ্যাডামসের পাশাপাশি জোহরান রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাটর্নি জিম ওয়াল্ডেনেরও মুখোমুখি হবেন।
জোহরান জয়ী হলে লন্ডনের পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শহর হিসেবে নিউইয়র্ক পাবে একজন মুসলিম মেয়র।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন আলোচিত নেতা জোহরান মামদানি।
আজ বুধবার (২ জুলাই) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচন বোর্ড ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জোহরানের বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
গতকাল প্রকাশিত র্যাঙ্কড-চয়েস ভোটের (পছন্দের ক্রমানুযায়ী ৫ জন প্রার্থীকে ভোট দেওয়া) ফলাফলে দেখা গেছে, জোহরান তৃতীয় ধাপে ৫৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন। তৃতীয় ধাপে জয় পেতে একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ ভোট পেতে হয়।
২০২১ সাল থেকে নিউইয়র্কে র্যাঙ্কড চয়েস ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির স্বল্প-পরিচিত সদস্য হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন উগান্ডায় জন্ম নেওয়া জোহরান।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জোহরান নভেম্বরে নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের মুখোমুখি হবেন।
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিসেবে জয় পান এরিক। তবে এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও পরে বিচার বিভাগ তা খারিজ করে দেয়। এরপর দল থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা একটি নতুন ভিডিওতে জোহরান প্রাইমারিতে পাওয়া এই জয়কে ২০২১ সালে এরিকের নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
মামদানি বলেন, 'আমরা সব সময় ভেবেছি, আমাদের বিজয় আসবে র্যাঙ্কড-চয়েস ভোটের একাধিক ধাপের পর। প্রথম রাউন্ডেই যখন আমরা এত ভোট পেলাম, যা এরিক অ্যাডামস গত নির্বাচনে ৭ রাউন্ড মিলিয়েও পাননি—এটা সত্যিই বিস্ময়কর ছিল।'
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৩৩ বছর বয়সী মামদানি একজন মুসলিম। তিনি নিজেকে গণতন্ত্রপন্থি সমাজতান্ত্রিক হিসেবে পরিচয় দেন। প্রাইমারিতে মধ্যপন্থি অভিজ্ঞ রাজনীতিক অ্যান্ড্রু কুমোকে হারিয়েছেন তিনি।
জোহরান মামদানির জয় মূল ধারার ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে।
তাদের উদ্বেগের মূল কারণ, নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তিনি রিপাবলিকানদের আক্রমণের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন।
নতুন ভিডিওতে জোহরান বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য, মানুষের সমর্থন রিপাবলিকান দল থেকে আবার ডেমোক্রেটিক দলের দিকে ফিরিয়ে আনা।
গত সপ্তাহে প্রাইমারির প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর, অ্যান্ড্রু কুমো প্রতিদ্বন্দ্বী জোহরানকে ফোন করে হার মেনে নিয়েছিলেন। সে সময়ই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পরের কয়েক রাউন্ডেও জোহরানকে টেক্কা দিতে পারবেন না।
চূড়ান্ত গণনায় কুমো ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
দলীয় প্রাইমারিতে হেরে গেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন কুমো। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এটি নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
নভেম্বরে এরিক অ্যাডামসের পাশাপাশি জোহরান রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাটর্নি জিম ওয়াল্ডেনেরও মুখোমুখি হবেন।
জোহরান জয়ী হলে লন্ডনের পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শহর হিসেবে নিউইয়র্ক পাবে একজন মুসলিম মেয়র।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে