
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে নববর্ষ নওরোজ ও ঈদুল ফিতর এই দুই বড় উৎসবের সময় চললেও, যুদ্ধের ভয়াবহতায় সেই আনন্দ পুরোপুরি ম্লান। উৎসবমুখর পরিবেশের বদলে দেশজুড়ে এখন বিরাজ করছে এক থমথমে ও ভীতিকর নীরবতা।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি। অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এড়াতে কর্তৃপক্ষের কড়া নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হননি। এমনকি সরকার সমর্থকরাও এবার প্রকাশ্যে কোনো আনন্দ-উল্লাস থেকে বিরত ছিলেন।
দেশটির রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত দুই শিবিরই এখন গভীর শোকে আচ্ছন্ন। একদিকে বিরোধী পক্ষ গত জানুয়ারিতে নিহত হাজারো মানুষের জন্য শোক পালন করছে, অন্যদিকে সরকারি সমর্থকরা গত ২০ দিনের যুদ্ধে নিহত প্রায় দেড় হাজার মানুষ এবং গুপ্তহত্যার শিকার শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুতে শোকাহত।
তেহরানের ঐতিহ্যবাহী তাজরীশ বাজারের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে এখন নিহত শিশুদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে, যা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এবারের ঈদ ও নওরোজ ইরানিদের কাছে কোনো আনন্দের বার্তা নিয়ে আসেনি। বরং এক অজানা আতঙ্ক ও নীরব শোকের আবহে, চরম সতর্কতার সাথে চার দেয়ালের ভেতরেই অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দিনগুলো পার করছেন সাধারণ মানুষ।

ইরানে নববর্ষ নওরোজ ও ঈদুল ফিতর এই দুই বড় উৎসবের সময় চললেও, যুদ্ধের ভয়াবহতায় সেই আনন্দ পুরোপুরি ম্লান। উৎসবমুখর পরিবেশের বদলে দেশজুড়ে এখন বিরাজ করছে এক থমথমে ও ভীতিকর নীরবতা।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি। অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এড়াতে কর্তৃপক্ষের কড়া নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হননি। এমনকি সরকার সমর্থকরাও এবার প্রকাশ্যে কোনো আনন্দ-উল্লাস থেকে বিরত ছিলেন।
দেশটির রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত দুই শিবিরই এখন গভীর শোকে আচ্ছন্ন। একদিকে বিরোধী পক্ষ গত জানুয়ারিতে নিহত হাজারো মানুষের জন্য শোক পালন করছে, অন্যদিকে সরকারি সমর্থকরা গত ২০ দিনের যুদ্ধে নিহত প্রায় দেড় হাজার মানুষ এবং গুপ্তহত্যার শিকার শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুতে শোকাহত।
তেহরানের ঐতিহ্যবাহী তাজরীশ বাজারের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে এখন নিহত শিশুদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে, যা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এবারের ঈদ ও নওরোজ ইরানিদের কাছে কোনো আনন্দের বার্তা নিয়ে আসেনি। বরং এক অজানা আতঙ্ক ও নীরব শোকের আবহে, চরম সতর্কতার সাথে চার দেয়ালের ভেতরেই অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দিনগুলো পার করছেন সাধারণ মানুষ।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে