
জামান সরকার, হেলসিংকি (ফিনল্যান্ড) থেকে

শীতল উত্তরের আকাশ। তুষারভেজা বাতাস আর হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক গভীর আবেগ। এই আবহেই ফিনল্যান্ড উদ্যাপন করল তার ১০৮তম স্বাধীনতা দিবস।
১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রুশ সাম্রাজ্যের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা এই দেশটির কাছে দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রীয় দিবস নয়—এটি আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক চেতনার এক অনন্ত প্রতীক।
দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টুব ও তার সহধর্মিণী সুজান্নে ইন্নেস-স্টুবের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে রাজধানী হেলসিঙ্কির ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে অনুষ্ঠিত হয় স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহ্যবাহী রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা। এ বছর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন বিশিষ্ট অতিথি।
আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্টরা, সংসদের স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদের সব রাজনৈতিক দলের এমপিরা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, শিল্পী ও সমাজের কৃতী ব্যক্তিত্বরা।

এই সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে এক রাজকীয় আবেশে মোড়া স্বপ্নপুরী হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যবাহী ফিনিশ পোশাক থেকে শুরু করে আধুনিক ইউরোপীয় ডিজাইনের গাউন ও স্যুটে সজ্জিত অতিথিরা যেন এক একটি জীবন্ত শিল্পকর্ম। অনেক পোশাকের মূল্য লাখ ইউরোর ঘর ছাড়িয়েছে—তবে এটি ফিনিশ সংস্কৃতি ও নান্দনিকতার অংশ।
এই পোশাকশিল্পে ছিল অতীতের ঐতিহ্য, বর্তমানের রুচি এবং ভবিষ্যতের নকশার এক অনন্য মেলবন্ধন। পুরো হেলসিঙ্কি শহর সেজে ওঠে আলোর রোশনাই আর ফুলের অলংকরণে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ঝলমলে আলোকসজ্জা দূর থেকেই জানিয়ে দেয়—এটি একটি স্বাধীন দেশের গর্ব।
রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী সামুদ্রিক মাছ, হরিণের মাংস, আধুনিক ইউরোপীয় খাবার ও বিখ্যাত ফিনিশ ডেজার্ট। পাশাপাশি দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিল সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামরিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে পালিত হয় নীরবতা ও শ্রদ্ধার মুহূর্ত—স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে।
ফিনল্যান্ডের মানুষের কাছে এই দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান নয়—এটি একটি অনুভূতি, একটি দায়বদ্ধতা ও একটি শপথের দিন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অতীত পেরিয়ে আজ দেশটি শান্তি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তায় বিশ্বে অনন্য—স্বাধীনতা দিবসের এই উৎসব সেই অর্জনের গৌরবময় সাক্ষ্য।
শীতের দীর্ঘ অন্ধকার রাতেও ফিনল্যান্ড প্রমাণ করে—স্বাধীনতার আলো কখনো নেভে না।

শীতল উত্তরের আকাশ। তুষারভেজা বাতাস আর হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক গভীর আবেগ। এই আবহেই ফিনল্যান্ড উদ্যাপন করল তার ১০৮তম স্বাধীনতা দিবস।
১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রুশ সাম্রাজ্যের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা এই দেশটির কাছে দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রীয় দিবস নয়—এটি আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক চেতনার এক অনন্ত প্রতীক।
দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টুব ও তার সহধর্মিণী সুজান্নে ইন্নেস-স্টুবের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে রাজধানী হেলসিঙ্কির ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে অনুষ্ঠিত হয় স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহ্যবাহী রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা। এ বছর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন বিশিষ্ট অতিথি।
আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফিনল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্টরা, সংসদের স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদের সব রাজনৈতিক দলের এমপিরা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, শিল্পী ও সমাজের কৃতী ব্যক্তিত্বরা।

এই সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে এক রাজকীয় আবেশে মোড়া স্বপ্নপুরী হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যবাহী ফিনিশ পোশাক থেকে শুরু করে আধুনিক ইউরোপীয় ডিজাইনের গাউন ও স্যুটে সজ্জিত অতিথিরা যেন এক একটি জীবন্ত শিল্পকর্ম। অনেক পোশাকের মূল্য লাখ ইউরোর ঘর ছাড়িয়েছে—তবে এটি ফিনিশ সংস্কৃতি ও নান্দনিকতার অংশ।
এই পোশাকশিল্পে ছিল অতীতের ঐতিহ্য, বর্তমানের রুচি এবং ভবিষ্যতের নকশার এক অনন্য মেলবন্ধন। পুরো হেলসিঙ্কি শহর সেজে ওঠে আলোর রোশনাই আর ফুলের অলংকরণে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ঝলমলে আলোকসজ্জা দূর থেকেই জানিয়ে দেয়—এটি একটি স্বাধীন দেশের গর্ব।
রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী সামুদ্রিক মাছ, হরিণের মাংস, আধুনিক ইউরোপীয় খাবার ও বিখ্যাত ফিনিশ ডেজার্ট। পাশাপাশি দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিল সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামরিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে পালিত হয় নীরবতা ও শ্রদ্ধার মুহূর্ত—স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে।
ফিনল্যান্ডের মানুষের কাছে এই দিনটি কেবল একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান নয়—এটি একটি অনুভূতি, একটি দায়বদ্ধতা ও একটি শপথের দিন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অতীত পেরিয়ে আজ দেশটি শান্তি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তায় বিশ্বে অনন্য—স্বাধীনতা দিবসের এই উৎসব সেই অর্জনের গৌরবময় সাক্ষ্য।
শীতের দীর্ঘ অন্ধকার রাতেও ফিনল্যান্ড প্রমাণ করে—স্বাধীনতার আলো কখনো নেভে না।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে