
বিডিজেন ডেস্ক

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ২২ হাজার ৯৯৩ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে সৌদি গেজেট।
আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ৭৩১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৫ হাজার ২৩০ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণায়টি আরও জানায়, সৌদি সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় এক হাজার ৩৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে ৪১ শতাংশই ইয়েমেনের নাগরিক।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মোট ১৫ হাজার ১৩৬ জনের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬১৬ জন নারী।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ২২ হাজার ৯৯৩ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে সৌদি গেজেট।
আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ৭৩১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৫ হাজার ২৩০ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণায়টি আরও জানায়, সৌদি সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় এক হাজার ৩৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে ৪১ শতাংশই ইয়েমেনের নাগরিক।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মোট ১৫ হাজার ১৩৬ জনের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬১৬ জন নারী।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।