
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্য বলেছে, আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদানের শিক্ষার্থীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করবে তারা। পাশাপাশি আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য কর্মী ভিসাও বন্ধ করা হবে। অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয়ের আবেদন ৪৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন, “যুদ্ধ ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের সব সময়ই আশ্রয় দেবে যুক্তরাজ্য। তবে আমাদের ভিসাব্যবস্থার অপব্যবহার হতে দেওয়া যাবে না। এ কারণেই আমি নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। যেসব দেশের নাগরিক আমাদের উদারতার সুযোগ নিতে চাইছে, তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হবে।”
অভিবাসন এখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের কারণে কট্টর ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকে জনমত জরিপে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
অভিবাসন ইস্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠা জনগণকে শান্ত করতে এবং কট্টর ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকের উত্থান ঠেকাতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার আশ্রয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করেছে। অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা জোরদার করেছে তারা।
যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (পিএ) বলেছে, আগামী বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাসন বিধিমালায় পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। একই দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা নিয়ে একটি ভাষণ দিতে পারেন।
পিএ–র তথ্য অনুযায়ী, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের শরণার্থী মর্যাদা প্রতি ৩০ মাস পরপর পুনর্বিবেচনা করা হবে। অনেকেই মনে করছেন, আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য দেশটিকে কম আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীভিত্তিক আশ্রয়ের আবেদন ২০ শতাংশ কমানো গেলেও আরও পদক্ষেপ দরকার। কারণ, এখনো আশ্রয় চাওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা মোট আশ্রয় চাওয়া মানুষদের সংখ্যার ১৩ শতাংশ।

যুক্তরাজ্য বলেছে, আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদানের শিক্ষার্থীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করবে তারা। পাশাপাশি আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য কর্মী ভিসাও বন্ধ করা হবে। অভিবাসনবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ভিসায় আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো জরুরিভিত্তিতে ৪ দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, মিয়ানমার ও সুদান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের আশ্রয়ের আবেদন ৪৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন, “যুদ্ধ ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের সব সময়ই আশ্রয় দেবে যুক্তরাজ্য। তবে আমাদের ভিসাব্যবস্থার অপব্যবহার হতে দেওয়া যাবে না। এ কারণেই আমি নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। যেসব দেশের নাগরিক আমাদের উদারতার সুযোগ নিতে চাইছে, তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হবে।”
অভিবাসন এখন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের কারণে কট্টর ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকে জনমত জরিপে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
অভিবাসন ইস্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠা জনগণকে শান্ত করতে এবং কট্টর ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকের উত্থান ঠেকাতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার আশ্রয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করেছে। অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা জোরদার করেছে তারা।
যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (পিএ) বলেছে, আগামী বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাসন বিধিমালায় পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। একই দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা নিয়ে একটি ভাষণ দিতে পারেন।
পিএ–র তথ্য অনুযায়ী, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের শরণার্থী মর্যাদা প্রতি ৩০ মাস পরপর পুনর্বিবেচনা করা হবে। অনেকেই মনে করছেন, আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য দেশটিকে কম আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ২০২৫ সালে শিক্ষার্থীভিত্তিক আশ্রয়ের আবেদন ২০ শতাংশ কমানো গেলেও আরও পদক্ষেপ দরকার। কারণ, এখনো আশ্রয় চাওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা মোট আশ্রয় চাওয়া মানুষদের সংখ্যার ১৩ শতাংশ।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে