
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আবুধাবি শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) আবুধাবির একটি রেস্টুরেন্টের হল রুমে এ সভা আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ৭ নভেম্বর উদ্যাপন আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি ও ইউএই বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সারোয়ার আলম ভুট্টো।
সভা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু ও বিএনপির ইউএই শাখার নেতা প্রকৌশলী লুৎফর রহমান সুমন।

প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ইউএই শাখার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য জাকির হোসেন খতিব।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আমানুল কিবরিয়া ও মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মিজানুর রহমান সোহেল, সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ বাচা মিঞা, মিরফা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, আবুধাবি শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক সৈয়দ মনিরুল ইসলাম আনার, শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সহসভাপতি জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন আবুধাবি শাখার সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম জাবেদ।

অন্য অতিথির মধ্যে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ ফিরোজ খান, জাহাঙ্গীর আলম শিকদার, এস্কান্দার হোসেন রুমন, ইঞ্জিনিয়ার ইয়াকুব ও আকরাম হোসেন ভুইয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপিকে বিজয়ী করতে প্রবাস থেকে সবাইকে একযোগে কাজ করার কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন মোহাম্মদ হারুন, ইব্রাহীম, ফারুক, গোলাফুর রহমান, মোহাম্মদ আলম, আরজু, মাইনুদ্দিন, জাকির হোসেন ও ইমরান প্রমুখ।
আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আবুধাবি শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) আবুধাবির একটি রেস্টুরেন্টের হল রুমে এ সভা আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ৭ নভেম্বর উদ্যাপন আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি ও ইউএই বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সারোয়ার আলম ভুট্টো।
সভা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু ও বিএনপির ইউএই শাখার নেতা প্রকৌশলী লুৎফর রহমান সুমন।

প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ইউএই শাখার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য জাকির হোসেন খতিব।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আমানুল কিবরিয়া ও মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মিজানুর রহমান সোহেল, সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ বাচা মিঞা, মিরফা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, আবুধাবি শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক সৈয়দ মনিরুল ইসলাম আনার, শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সহসভাপতি জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন আবুধাবি শাখার সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম জাবেদ।

অন্য অতিথির মধ্যে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ ফিরোজ খান, জাহাঙ্গীর আলম শিকদার, এস্কান্দার হোসেন রুমন, ইঞ্জিনিয়ার ইয়াকুব ও আকরাম হোসেন ভুইয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপিকে বিজয়ী করতে প্রবাস থেকে সবাইকে একযোগে কাজ করার কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন মোহাম্মদ হারুন, ইব্রাহীম, ফারুক, গোলাফুর রহমান, মোহাম্মদ আলম, আরজু, মাইনুদ্দিন, জাকির হোসেন ও ইমরান প্রমুখ।
আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে