
বিডিজেন ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন এইচ-১বি ওয়ার্ক ভিসা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিয়মে আমূল পরিবর্তন এনেছে। নতুন এই নিয়মে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে এখন থেকে বেতন ও দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মী নির্বাচন করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায় যে, এখন থেকে বেশি দক্ষ এবং বেশি বেতনভোগী বিদেশি কর্মীদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএইচএস জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিন কর্মীদের মজুরি, কাজের পরিবেশ এবং চাকরির সুযোগ আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন এই নিয়ম এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।নতুন এই নিয়মটি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ডিএইচএস জানিয়েছে, বর্তমানের লটারি পদ্ধতিটি বিভিন্ন মহলে সমালোচিত। অভিযোগ ছিল যে, অসাধু নিয়োগকর্তারা এই পদ্ধতির সুযোগ নিয়ে কম দক্ষ ও কম বেতনের বিদেশি কর্মীদের দিয়ে বাজার সয়লাব করে ফেলছিল। এটি মার্কিন শ্রমশক্তির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইস)-এর মুখপাত্র ম্যাথিউ ট্র্যাজেসার বলেন, এইচ-১বি রেজিস্ট্রেশনের বর্তমান লটারি পদ্ধতিটি মার্কিন নিয়োগকর্তাদের দ্বারা অপব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, নিয়োগকর্তারা মার্কিন কর্মীদের চেয়ে কম বেতনে বিদেশি কর্মী আনার চেষ্টা করে আসছিল।
ইউএসসিআইএস মুখপাত্র বলেন, নতুন এই পদ্ধতি এইচ-১বি প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্যকে আরও ভালোভাবে সফল করবে। উচ্চ-বেতন ও উচ্চ-দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য আবেদন করতে মার্কিন নিয়োগকর্তাদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে এটি আমেরিকার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন এইচ-১বি ওয়ার্ক ভিসা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিয়মে আমূল পরিবর্তন এনেছে। নতুন এই নিয়মে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে এখন থেকে বেতন ও দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মী নির্বাচন করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায় যে, এখন থেকে বেশি দক্ষ এবং বেশি বেতনভোগী বিদেশি কর্মীদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএইচএস জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিন কর্মীদের মজুরি, কাজের পরিবেশ এবং চাকরির সুযোগ আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন এই নিয়ম এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।নতুন এই নিয়মটি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ডিএইচএস জানিয়েছে, বর্তমানের লটারি পদ্ধতিটি বিভিন্ন মহলে সমালোচিত। অভিযোগ ছিল যে, অসাধু নিয়োগকর্তারা এই পদ্ধতির সুযোগ নিয়ে কম দক্ষ ও কম বেতনের বিদেশি কর্মীদের দিয়ে বাজার সয়লাব করে ফেলছিল। এটি মার্কিন শ্রমশক্তির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইস)-এর মুখপাত্র ম্যাথিউ ট্র্যাজেসার বলেন, এইচ-১বি রেজিস্ট্রেশনের বর্তমান লটারি পদ্ধতিটি মার্কিন নিয়োগকর্তাদের দ্বারা অপব্যবহৃত হয়েছে। তিনি জানান, নিয়োগকর্তারা মার্কিন কর্মীদের চেয়ে কম বেতনে বিদেশি কর্মী আনার চেষ্টা করে আসছিল।
ইউএসসিআইএস মুখপাত্র বলেন, নতুন এই পদ্ধতি এইচ-১বি প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্যকে আরও ভালোভাবে সফল করবে। উচ্চ-বেতন ও উচ্চ-দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য আবেদন করতে মার্কিন নিয়োগকর্তাদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে এটি আমেরিকার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে