
বিডিজেন ডেস্ক

ছয় মাসে ৪২ হাজারের বেশি ব্যক্তি কুয়েতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন। জাতীয় নাগরিকত্ব আইন ও বৈধভাবে বসবাসের নিয়মাবলী নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার পরিচালিত ব্যাপক প্রশাসনিক পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষেত্রে এটি নতুন রেকর্ড।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি সুপ্রিম কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো অনিয়মিত নাগরিকত্ব, দ্বৈত নাগরিকত্বের নিয়ম লঙ্ঘন এবং জালিয়াতি বা ভুল নথিপত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত নাগরিকত্বের বিষয়গুলো সমাধান করা।
মূলত কুয়েতি আইনের ওপর ভিত্তি করে তাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে। জালিয়াতি, অসততা বা জাতীয় নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে–এমন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশটিতে নাগরিকত্ব বাতিল করার বিধান রয়েছে।
কুয়েতের নীতিমালা অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদিত নয়। তাই কুয়েতের নাগরিকত্ব ধরে রাখার সময় অন্য কোনো নাগরিকত্ব ধারণকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।।

ছয় মাসে ৪২ হাজারের বেশি ব্যক্তি কুয়েতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন। জাতীয় নাগরিকত্ব আইন ও বৈধভাবে বসবাসের নিয়মাবলী নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার পরিচালিত ব্যাপক প্রশাসনিক পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষেত্রে এটি নতুন রেকর্ড।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি সুপ্রিম কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো অনিয়মিত নাগরিকত্ব, দ্বৈত নাগরিকত্বের নিয়ম লঙ্ঘন এবং জালিয়াতি বা ভুল নথিপত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত নাগরিকত্বের বিষয়গুলো সমাধান করা।
মূলত কুয়েতি আইনের ওপর ভিত্তি করে তাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে। জালিয়াতি, অসততা বা জাতীয় নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে–এমন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশটিতে নাগরিকত্ব বাতিল করার বিধান রয়েছে।
কুয়েতের নীতিমালা অনুযায়ী, দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদিত নয়। তাই কুয়েতের নাগরিকত্ব ধরে রাখার সময় অন্য কোনো নাগরিকত্ব ধারণকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।