
বিডিজেন ডেস্ক
বাহরাইনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একটি বহুতল ভবন ধস পড়েছে। এ ঘটনায় দেশটির এক নাগরিক এবং এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির আরাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাংলাদেশির নাম শ্যামল চন্দ্র শীল (৪২)।
পুলিশের ভাষ্য, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনতলা ভবনটির একটি বড় অংশ ধসে পড়। এতে অনেকে আটকা পড়ে যান। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, নিহত শ্যামল চন্দ্র শীলের লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য বাহরাইনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: নিউজ অব বাহরাইন
বাহরাইনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একটি বহুতল ভবন ধস পড়েছে। এ ঘটনায় দেশটির এক নাগরিক এবং এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির আরাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাংলাদেশির নাম শ্যামল চন্দ্র শীল (৪২)।
পুলিশের ভাষ্য, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনতলা ভবনটির একটি বড় অংশ ধসে পড়। এতে অনেকে আটকা পড়ে যান। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, নিহত শ্যামল চন্দ্র শীলের লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য বাহরাইনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। নিহতের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: নিউজ অব বাহরাইন
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।