
বিডিজেন ডেস্ক

লেবানন থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ৯০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে রকেট নিক্ষেপ করা হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) উদ্ধৃত করে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন এ খবর দিয়েছে।
আইডিএফ জানায়, লেবানন থেকে আসা রকেটগুলোর অন্তত একটি ইসরায়েলের উত্তরের শহর হাইফার মাটিতে আঘাত হানে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ কয়েকটি রকেট হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আইডিএফের মতে, সোমবার (১৪ অক্টোবর) লেবানন থেকে ইসরায়েলে ১১৫টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিনব্যাপী ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ৪১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ১২৪ জন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর থেকেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সমর্থনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়ছে হিজবুল্লাহ। লম্বা সময় ধরে লেবানন ও ইসরায়েল সীমান্তে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করছে। সেপ্টেম্বর মাসে লেবাননে বোমা হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল। এ মাসের শুরুতে সেখানে স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সেনাঘাঁটিতে হামলা চালানোর পর সোমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা বৈরুতসহ লেবাননের সব জায়গায় হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে যাব। এ হামলা চলবে নির্দয়ভাবে।’
লেবানন সরকারের জরুরি কমিটি গতকাল জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ১৪৬টি ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সরকারি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত লেবাননে ১০ হাজার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
সূত্র: সিএনএন

লেবানন থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ৯০টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে রকেট নিক্ষেপ করা হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) উদ্ধৃত করে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন এ খবর দিয়েছে।
আইডিএফ জানায়, লেবানন থেকে আসা রকেটগুলোর অন্তত একটি ইসরায়েলের উত্তরের শহর হাইফার মাটিতে আঘাত হানে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ কয়েকটি রকেট হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আইডিএফের মতে, সোমবার (১৪ অক্টোবর) লেবানন থেকে ইসরায়েলে ১১৫টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিনব্যাপী ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ৪১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ১২৪ জন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর থেকেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সমর্থনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়ছে হিজবুল্লাহ। লম্বা সময় ধরে লেবানন ও ইসরায়েল সীমান্তে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করছে। সেপ্টেম্বর মাসে লেবাননে বোমা হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল। এ মাসের শুরুতে সেখানে স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সেনাঘাঁটিতে হামলা চালানোর পর সোমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা বৈরুতসহ লেবাননের সব জায়গায় হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে যাব। এ হামলা চলবে নির্দয়ভাবে।’
লেবানন সরকারের জরুরি কমিটি গতকাল জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ১৪৬টি ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সরকারি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত লেবাননে ১০ হাজার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
সূত্র: সিএনএন
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে