
বিডিজেন ডেস্ক

ওমানে প্রবাসী কর্মীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজে না এলে জরিমানা কিংবা মজুরি কর্তনের বিধান আরোপ করে নতুন একটি শ্রম আইন করেছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়।
নতুন এই আইনের ফলে কর্মস্থলে সহকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অসাধুপায় অবলম্বন কিংবা কাজের সময়ে ঘুমিয়ে থাকাকে অন্যায় হিসেবে বিবেচনা করে জরিমানা আরোপ করতে পারবেন নিয়োগকর্তারা। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তিতে কর্মীকে চাকরিচ্যুত করারও সুযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি একট গেজেটের মাধ্যমে নতুন এই আইন করা হয়েছে।
নতুন এই আইনের ফলে যেসব নিয়োগকর্তার অধীনে ২৫ জন বা তার বেশি কর্মী কাজ করে তারা কর্মীর দায়িত্বে অবহেলার কারণে নিয়োগকর্তা সর্বোচ্চ ৫ দিনের মজুরি কর্তন বা সাময়িক বহিস্কার কিংবা গুরুতর অপরাধের জন্য কর্মীকে চাকরিচ্যুত করতে পারবেন। আর ৫০ বা তারও বেশি কর্মীর নিয়োগকর্তা কর্মীর একই অপরাধের জন্য এক দিনের মজুরির ২০ শতাংশ পর্যন্ত কর্তন করতে পারবেন।
আর কারণ ছাড়াই আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা দেরি করে কাজে যোগ দিলে কর্মীর ১ দিনের মজুরির অর্ধেক কেটে নেওয়া যাবে। আর মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধের জন্য সার্ভিস বেনিফিট ছাড়াই কর্মীকে চাকরিচ্যুত করতে পারবেন নিয়োগকর্তারা।
তবে কোনো জরিমানা আরোপ করার আগে নিয়োগকর্তাদের কর্মীদের লিখিতভাবে অবহিত করতে এবং কর্মীদের তাদের আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগও দিতে হবে।
শ্রম মন্ত্রণালয় বলেছে, সমস্ত প্রবিধানগুলো অবশ্যই কর্মক্ষেত্রের দৃশ্যমান এলাকায় আরবি ও ইংরেজি দুই ভাষায় স্পষ্টভাবে লিখে রাখতে হবে। যাতে সকল কর্মচারীরা নিয়ম ও জরিমানা সম্পর্কে সচেতন থাকেন। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এই উদ্যোগটি বেসরকারি খাতে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।
সিদ্ধান্তটি ১৭ অক্টোবর জারি এবং ওই দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে।

ওমানে প্রবাসী কর্মীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজে না এলে জরিমানা কিংবা মজুরি কর্তনের বিধান আরোপ করে নতুন একটি শ্রম আইন করেছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়।
নতুন এই আইনের ফলে কর্মস্থলে সহকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অসাধুপায় অবলম্বন কিংবা কাজের সময়ে ঘুমিয়ে থাকাকে অন্যায় হিসেবে বিবেচনা করে জরিমানা আরোপ করতে পারবেন নিয়োগকর্তারা। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তিতে কর্মীকে চাকরিচ্যুত করারও সুযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি একট গেজেটের মাধ্যমে নতুন এই আইন করা হয়েছে।
নতুন এই আইনের ফলে যেসব নিয়োগকর্তার অধীনে ২৫ জন বা তার বেশি কর্মী কাজ করে তারা কর্মীর দায়িত্বে অবহেলার কারণে নিয়োগকর্তা সর্বোচ্চ ৫ দিনের মজুরি কর্তন বা সাময়িক বহিস্কার কিংবা গুরুতর অপরাধের জন্য কর্মীকে চাকরিচ্যুত করতে পারবেন। আর ৫০ বা তারও বেশি কর্মীর নিয়োগকর্তা কর্মীর একই অপরাধের জন্য এক দিনের মজুরির ২০ শতাংশ পর্যন্ত কর্তন করতে পারবেন।
আর কারণ ছাড়াই আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা দেরি করে কাজে যোগ দিলে কর্মীর ১ দিনের মজুরির অর্ধেক কেটে নেওয়া যাবে। আর মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধের জন্য সার্ভিস বেনিফিট ছাড়াই কর্মীকে চাকরিচ্যুত করতে পারবেন নিয়োগকর্তারা।
তবে কোনো জরিমানা আরোপ করার আগে নিয়োগকর্তাদের কর্মীদের লিখিতভাবে অবহিত করতে এবং কর্মীদের তাদের আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগও দিতে হবে।
শ্রম মন্ত্রণালয় বলেছে, সমস্ত প্রবিধানগুলো অবশ্যই কর্মক্ষেত্রের দৃশ্যমান এলাকায় আরবি ও ইংরেজি দুই ভাষায় স্পষ্টভাবে লিখে রাখতে হবে। যাতে সকল কর্মচারীরা নিয়ম ও জরিমানা সম্পর্কে সচেতন থাকেন। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এই উদ্যোগটি বেসরকারি খাতে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।
সিদ্ধান্তটি ১৭ অক্টোবর জারি এবং ওই দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে