
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা নগরীর উত্তরাঞ্চলে চার সপ্তাহ আগে অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর থেকে সেখানে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল–বুরশ বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে ওই এলাকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
আরও পড়ুন
মুনির আল–বুরশ আরও বলেন, অপরাধ বন্ধ করার ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি কিংবা জবাবদিহি না থাকায় ইসরায়েল দখলদারি, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।
মুনির আল–বুরশ অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী উত্তর গাজায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে ক্রমাগত বাধা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে অধিকৃত উত্তরাঞ্চলের কামাল আদওয়ান, আল–আওদা ও ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের গাজা নগরীর উত্তরাঞ্চলে চার সপ্তাহ আগে অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর থেকে সেখানে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল–বুরশ বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে ওই এলাকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
আরও পড়ুন
মুনির আল–বুরশ আরও বলেন, অপরাধ বন্ধ করার ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি কিংবা জবাবদিহি না থাকায় ইসরায়েল দখলদারি, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।
মুনির আল–বুরশ অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী উত্তর গাজায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে ক্রমাগত বাধা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে অধিকৃত উত্তরাঞ্চলের কামাল আদওয়ান, আল–আওদা ও ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে