
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল স্থল অভিযান চালিয়েই যাচ্ছে। তারা লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে এ অভিযান পরিচালনা করছে।
ইসরায়েল সীমান্ত এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি টানেল গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে।
সম্প্রতি স্থল ও আকাশপথে ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ অভিযানে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের হাইফা শহরের কাছে রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে।
এ ছাড়া, লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে একটি ইসরায়েলি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে তারা।
তবে এ বিষয়ে ইসরায়েল কোনো মন্তব্য না করলেও শনিবার (৫ অক্টোবর) ভোরে দেশটির উত্তরাঞ্চলজুড়ে সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে।
শনিবার জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার মুখে লেবানন ছেড়ে সিরিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে ২ লাখের বেশি মানুষ। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি বলেছেন, এসব মানুষের মধ্যে লেবাননের নাগরিকদের পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসরত সিরিয়ার নাগরিকেরাও রয়েছেন।
তবে লেবানন সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা কমপক্ষে তিন লাখ।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যকার প্রধান সীমান্তপথের কাছে ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে সীমান্ত দিয়ে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মাসনা ক্রসিংয়ের কাছে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে দাবি করেছিল, সংগঠনটি ক্রসিংটি অস্ত্র চোরাচালানের কাজে ব্যবহার করে।
বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ২৭ সেপ্টেম্বর নিহত হন লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। এর দুদিন পর দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে লেবাননে স্থল হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পরদিন ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর মধ্য দিয়ে এক বছর ধরে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা আন্তসীমান্ত সংঘাত সর্বাত্মক একটি যুদ্ধের রূপ ধারণ করেছে।
এদিকে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। রাজধানী বৈরুতের বিভিন্ন অংশে ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্যেই বিদেশি নাগরিকদের বহনকারী উড়োজাহাজগুলো ছেড়ে যাচ্ছে।
শনিবার পর্যন্ত তিনটি ভাড়া করা উড়োজাহাজে করে নাগরিকদের সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। আজ রোববার আরও একটি উড়োজাহাজ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ২৩টি দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কোনো কোনো দেশ নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে। আবার অনেক দেশ তাদের জন্য সামরিক উড়োজাহাজ পাঠাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল স্থল অভিযান চালিয়েই যাচ্ছে। তারা লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে এ অভিযান পরিচালনা করছে।
ইসরায়েল সীমান্ত এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি টানেল গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে।
সম্প্রতি স্থল ও আকাশপথে ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ অভিযানে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের হাইফা শহরের কাছে রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে।
এ ছাড়া, লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে একটি ইসরায়েলি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে তারা।
তবে এ বিষয়ে ইসরায়েল কোনো মন্তব্য না করলেও শনিবার (৫ অক্টোবর) ভোরে দেশটির উত্তরাঞ্চলজুড়ে সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে।
শনিবার জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার মুখে লেবানন ছেড়ে সিরিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে ২ লাখের বেশি মানুষ। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি বলেছেন, এসব মানুষের মধ্যে লেবাননের নাগরিকদের পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসরত সিরিয়ার নাগরিকেরাও রয়েছেন।
তবে লেবানন সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা কমপক্ষে তিন লাখ।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যকার প্রধান সীমান্তপথের কাছে ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে সীমান্ত দিয়ে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মাসনা ক্রসিংয়ের কাছে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে দাবি করেছিল, সংগঠনটি ক্রসিংটি অস্ত্র চোরাচালানের কাজে ব্যবহার করে।
বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ২৭ সেপ্টেম্বর নিহত হন লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। এর দুদিন পর দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে লেবাননে স্থল হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পরদিন ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এর মধ্য দিয়ে এক বছর ধরে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে চলা আন্তসীমান্ত সংঘাত সর্বাত্মক একটি যুদ্ধের রূপ ধারণ করেছে।
এদিকে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। রাজধানী বৈরুতের বিভিন্ন অংশে ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্যেই বিদেশি নাগরিকদের বহনকারী উড়োজাহাজগুলো ছেড়ে যাচ্ছে।
শনিবার পর্যন্ত তিনটি ভাড়া করা উড়োজাহাজে করে নাগরিকদের সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। আজ রোববার আরও একটি উড়োজাহাজ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ২৩টি দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কোনো কোনো দেশ নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে। আবার অনেক দেশ তাদের জন্য সামরিক উড়োজাহাজ পাঠাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে