
শরীফুল আলম

মুক্ত আলোচনা
হ্যাঁ, যা বলছিলাম, কোয়ালিটি লাইফের কথা। আপনি যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, কোয়ালিটি অব লাইফ লিড আপনাকে করতেই হবে। যাদের জীবন শেষ যৌবনে তাদের বেলায় কোয়ালিটি লাইফ তো আরও বেশি জরুরি। মন যতই বাইরাম বাইরাম করুক না কেন, সব কিছুতেই ‘হ্যাঁ’ বলা যাবে না। এমনকি সবাইকে ‘হাই’ আর ‘বাই’–ও বলা যাবে না।
খাবার যত সুস্বাদু ততই ক্ষতিকর এনজাইম, এটা মনে রাখলেই হলো। মন তো চাইবেই সে আমার কাছাকাছি থাকুক, পাশাপাশি থাকুক, চোখের সামনে থাকুক, নিঃশ্বাসের আদ্রতায় জড়িয়ে–পেচিয়ে থাকুক। ইনফ্যাক্ট উপযুক্ত পরিবেশ না পেলে মনও সাড়া দিতে চাইবে না। এ অনেকটা ঘড়িতে ব্যাটারি দেওয়ার মতো। না দিলে ঘড়িও সময় দিতে ভুলে যায়। ভালোবাসায় কিংবা দেনা–পাওনায় সামান্য একটু হেরফের হলেই দেখবেন প্রিয় মানুষটাও কত ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তখন এই পুরাতন মানুষটাই আপনার কাছে নতুনের মত মনে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার রুচি হয়তো বা ওনার চাইতে বেটার কিন্তু আপনারটাকেও বেস্ট বলা যাবে না।
আপনি হয়তো বা যথেষ্ট যোগ্য কিন্তু তিনি আপনাকে অযোগ্য ভাববেন। মানুষ কখন সব চাইতে বেশি আনন্দ পায়, জানেন? যখন সে প্রেমে থাকে। আবার সব চাইতে বেশি দুঃখ পায়, কখন জানেন? যখন প্রেম না থাকে। প্রেমের দুঃখ অনেক দিন মনে থাকে। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন কোনো লজিক কাজ করে না। কিন্তু যেই না প্রেম ভেঙে গেল অমনি হাজার লজিক এসে দাঁড়িয়ে যায়। পরিস্থিতির সঙ্গে হয়তো বা লড়াই করা যায় কিন্তু ভাগ্যের সঙ্গে আপনি লড়াই করবেন কীভাবে? সব সম্পর্কই আপনাকে সমান রিটার্ন দেবে না, এই বাস্তবতাটা আপনাকে বুঝতে হবে। একটা মানুষের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে ফ্লেক্সিবল তো থাকাই যায়, কিন্তু বহু মানুষের সঙ্গে আপনি কী করে ফ্লেক্সিবল থাকবেন?
বহু মানুষ মানেই বহু যন্ত্রণা। তাই একা কিংবা বহুতে নিজেকে ভালো রাখার Responsibility একান্তই আপনার। নিজের মতো সময় বের করা। নিজের মতো সময় তৈরি করা। নিজের মতো সময় খরচ করা। এ সব কিছুই আপনার ওপর নির্ভর করছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব চমৎকার একটা কথা বলেছেন, ‘কারও পছন্দের মানুষ হওয়া খুব সহজ কিন্তু সারা জীবন কারও পছন্দের মানুষ হয়ে থাকা খুব কঠিন।’ আমিও বলি প্রয়োজন আপনার অনেক থাকতে পারে কিন্তু প্রিয়জন একজন থাকাই ভালো। এতে রুচিগত, ব্যক্তিগত শেয়ারিং খুব সহজ হয়।
দেখুন জীবনে যত ঘৃণা, দুঃখ, অবহেলা পেয়েছেন, তার সমস্ত যোগফল একত্রিত করলে দেখবেন ভালোবাসাই পেয়েছেন বেশি। আর তা না হলে আপনি এতদিন বেঁচে আছেন কী করে? সুতরাং দেবদাসের মতো আমারও বলতে ইচ্ছা করে, ‘পারো (পার্বতী) চল দুনিয়ার সব অপ্রয়োজনীয় অনিয়মগুলো আমরা ভেঙে ফেলি।’
তারপরেও শেষ কথাটা বলে যাই আমরা প্রত্যেকেই একেকটা ইনডিভিজুয়ালম So be respectful.
—শরীফুল আলম, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ইমেইল: [email protected]
**প্রিয় পাঠক, বিডিজেন২৪-এ গল্প, কবিতা, ভ্রমণকাহিনি, সুখ–দুঃখের স্মৃতি, প্রবন্ধ, ফিচার, অনুষ্ঠান বা ঘটনার ভিডিও এবং ছবিসহ নানা বিষয়ের লেখা পাঠান। মেইল: [email protected]

মুক্ত আলোচনা
হ্যাঁ, যা বলছিলাম, কোয়ালিটি লাইফের কথা। আপনি যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, কোয়ালিটি অব লাইফ লিড আপনাকে করতেই হবে। যাদের জীবন শেষ যৌবনে তাদের বেলায় কোয়ালিটি লাইফ তো আরও বেশি জরুরি। মন যতই বাইরাম বাইরাম করুক না কেন, সব কিছুতেই ‘হ্যাঁ’ বলা যাবে না। এমনকি সবাইকে ‘হাই’ আর ‘বাই’–ও বলা যাবে না।
খাবার যত সুস্বাদু ততই ক্ষতিকর এনজাইম, এটা মনে রাখলেই হলো। মন তো চাইবেই সে আমার কাছাকাছি থাকুক, পাশাপাশি থাকুক, চোখের সামনে থাকুক, নিঃশ্বাসের আদ্রতায় জড়িয়ে–পেচিয়ে থাকুক। ইনফ্যাক্ট উপযুক্ত পরিবেশ না পেলে মনও সাড়া দিতে চাইবে না। এ অনেকটা ঘড়িতে ব্যাটারি দেওয়ার মতো। না দিলে ঘড়িও সময় দিতে ভুলে যায়। ভালোবাসায় কিংবা দেনা–পাওনায় সামান্য একটু হেরফের হলেই দেখবেন প্রিয় মানুষটাও কত ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তখন এই পুরাতন মানুষটাই আপনার কাছে নতুনের মত মনে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার রুচি হয়তো বা ওনার চাইতে বেটার কিন্তু আপনারটাকেও বেস্ট বলা যাবে না।
আপনি হয়তো বা যথেষ্ট যোগ্য কিন্তু তিনি আপনাকে অযোগ্য ভাববেন। মানুষ কখন সব চাইতে বেশি আনন্দ পায়, জানেন? যখন সে প্রেমে থাকে। আবার সব চাইতে বেশি দুঃখ পায়, কখন জানেন? যখন প্রেম না থাকে। প্রেমের দুঃখ অনেক দিন মনে থাকে। মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন কোনো লজিক কাজ করে না। কিন্তু যেই না প্রেম ভেঙে গেল অমনি হাজার লজিক এসে দাঁড়িয়ে যায়। পরিস্থিতির সঙ্গে হয়তো বা লড়াই করা যায় কিন্তু ভাগ্যের সঙ্গে আপনি লড়াই করবেন কীভাবে? সব সম্পর্কই আপনাকে সমান রিটার্ন দেবে না, এই বাস্তবতাটা আপনাকে বুঝতে হবে। একটা মানুষের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে ফ্লেক্সিবল তো থাকাই যায়, কিন্তু বহু মানুষের সঙ্গে আপনি কী করে ফ্লেক্সিবল থাকবেন?
বহু মানুষ মানেই বহু যন্ত্রণা। তাই একা কিংবা বহুতে নিজেকে ভালো রাখার Responsibility একান্তই আপনার। নিজের মতো সময় বের করা। নিজের মতো সময় তৈরি করা। নিজের মতো সময় খরচ করা। এ সব কিছুই আপনার ওপর নির্ভর করছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব চমৎকার একটা কথা বলেছেন, ‘কারও পছন্দের মানুষ হওয়া খুব সহজ কিন্তু সারা জীবন কারও পছন্দের মানুষ হয়ে থাকা খুব কঠিন।’ আমিও বলি প্রয়োজন আপনার অনেক থাকতে পারে কিন্তু প্রিয়জন একজন থাকাই ভালো। এতে রুচিগত, ব্যক্তিগত শেয়ারিং খুব সহজ হয়।
দেখুন জীবনে যত ঘৃণা, দুঃখ, অবহেলা পেয়েছেন, তার সমস্ত যোগফল একত্রিত করলে দেখবেন ভালোবাসাই পেয়েছেন বেশি। আর তা না হলে আপনি এতদিন বেঁচে আছেন কী করে? সুতরাং দেবদাসের মতো আমারও বলতে ইচ্ছা করে, ‘পারো (পার্বতী) চল দুনিয়ার সব অপ্রয়োজনীয় অনিয়মগুলো আমরা ভেঙে ফেলি।’
তারপরেও শেষ কথাটা বলে যাই আমরা প্রত্যেকেই একেকটা ইনডিভিজুয়ালম So be respectful.
—শরীফুল আলম, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ইমেইল: [email protected]
**প্রিয় পাঠক, বিডিজেন২৪-এ গল্প, কবিতা, ভ্রমণকাহিনি, সুখ–দুঃখের স্মৃতি, প্রবন্ধ, ফিচার, অনুষ্ঠান বা ঘটনার ভিডিও এবং ছবিসহ নানা বিষয়ের লেখা পাঠান। মেইল: [email protected]
ডিসি সারওয়ার আলমের মতো অফিসার কম, তবে শূন্য নয়। তিনি নিজেই একটা ব্র্যান্ড। সুতরাং তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। তিনি এক সময় ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বহু অসাধু ব্যবসায়ীকে জেলে পুরেছেন।
পেলে জানে হাজার মাইল দূরে তার বাবা অন্যের টেলিভিশনের সামনে দাঁড়িয়ে ছেলের খেলা দেখছেন। অথবা রেডিওতে ধারাবিবরণী শুনছেন। পেলের মনে আছে আট বছর আগে কীভাবে তার বাবা কেঁদেছিলেন। সে তার বাবাকে এবারও কাঁদাতে চায়, তবে এবার যেন সেই অশ্রু হয় আনন্দের। গর্বের। স্বপ্ন পূরণের।
প্রবাসজীবনের প্রথম দিকের সংগ্রাম তাকে শিখিয়েছে ধৈর্য, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং শৃঙ্খলার গুরুত্ব, যা পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
ইতিহাস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সংকটই একটি চুক্তির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে শেষ হয়নি। বর্তমান সমঝোতাও তার ব্যতিক্রম হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আগের অবস্থায় আর ফিরবে না।