
সহিদুল আলম স্বপন

ক্ষমা করে দিয়ো হাদি,
এই শহরটা সেদিন
তোমার চেয়ে শক্ত হতে পারল না।
একটা বুলেট
তোমার শরীর নয়,
আমাদের সমস্ত নিশ্চয়তাকে
ভেদ করে চলে গেল।
শরিফ ওসমান হাদি
নামটা উচ্চারণ করতে গেলেই
গলা আটকে আসে,
কারণ এই নামের পরে
আর কোনো বাক্য
স্বাভাবিক থাকে না।
তুমি পড়ে গেলে জুলাইয়ে,
আর জুলাই
আমাদের ক্যালেন্ডার থেকে
হঠাৎ করে
কালো রং শিখে নিল
ডিসেম্বর।
আমরা এখন
দূরে দাঁড়িয়ে
হাতে স্লোগান,
কিন্তু বুকে সাহসের অভাব।
তোমার মৃত্যু কি কেবল মৃত্যু?
নাকি
আমাদের দীর্ঘদিনের
নীরব থাকার ফলাফল?
হাদি,
তোমার রক্ত মাটিতে পড়েনি,
ওটা পড়েছে
আমাদের বিবেকের ওপর।
আজও আমরা বেঁচে আছি,
আমরা বেঁচে থাকব
এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ।
ক্ষমা করে দিয়ো হাদি,
আমরা ফুল দিতে জানি,
কিন্তু
ঢাল হয়ে দাঁড়াতে জানি না।
জুলাই-আগস্ট আসবে বারবার,
আর প্রতিবার
তোমার অনুপস্থিতি
আরও ভারী হবে আবু সাঈদ মুগ্ধ হয়ে।
*সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

ক্ষমা করে দিয়ো হাদি,
এই শহরটা সেদিন
তোমার চেয়ে শক্ত হতে পারল না।
একটা বুলেট
তোমার শরীর নয়,
আমাদের সমস্ত নিশ্চয়তাকে
ভেদ করে চলে গেল।
শরিফ ওসমান হাদি
নামটা উচ্চারণ করতে গেলেই
গলা আটকে আসে,
কারণ এই নামের পরে
আর কোনো বাক্য
স্বাভাবিক থাকে না।
তুমি পড়ে গেলে জুলাইয়ে,
আর জুলাই
আমাদের ক্যালেন্ডার থেকে
হঠাৎ করে
কালো রং শিখে নিল
ডিসেম্বর।
আমরা এখন
দূরে দাঁড়িয়ে
হাতে স্লোগান,
কিন্তু বুকে সাহসের অভাব।
তোমার মৃত্যু কি কেবল মৃত্যু?
নাকি
আমাদের দীর্ঘদিনের
নীরব থাকার ফলাফল?
হাদি,
তোমার রক্ত মাটিতে পড়েনি,
ওটা পড়েছে
আমাদের বিবেকের ওপর।
আজও আমরা বেঁচে আছি,
আমরা বেঁচে থাকব
এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ।
ক্ষমা করে দিয়ো হাদি,
আমরা ফুল দিতে জানি,
কিন্তু
ঢাল হয়ে দাঁড়াতে জানি না।
জুলাই-আগস্ট আসবে বারবার,
আর প্রতিবার
তোমার অনুপস্থিতি
আরও ভারী হবে আবু সাঈদ মুগ্ধ হয়ে।
*সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
রামিসার ঘটনায় মানুষ রাস্তায় নেমেছে এটি ইতিবাচক দিক। কারণ, জনসচেতনতা তৈরি করতে সামাজিক প্রতিবাদের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতেও এ ধরনের আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ।
আমি চুমুক দিই।/ কফির তেতো স্বাদে হঠাৎ বুঝি,/ সব দেশ মানচিত্রে থাকে না,/ কিছু দেশ থাকে মানুষের অপেক্ষায়,/ কিছু শহর জন্ম নেয়/ একটি স্পর্শহীন হাতের ভেতর।
ইতিহাস বলছে, সংখ্যাগুরুদের আধিপত্য ও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন রাষ্ট্র ভাঙনের পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হয়েছিল, আবার পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
২ দিন আগে