
মো. ফজলুল কবির

অদৃশ্যরেখার পাশে বসে শুধু জানবার চেষ্টা
হাজার বছরের পুরনো গল্পের রং,
বিলুপ্ত মহাদেশের শিল্প আর সংস্কৃতি,
তুমি, আমি আর আমাদের ভেতরকার পার্থক্য।
আরও গহীনে গিয়ে ক্যানভাসে খুঁজি
আবেগ আর অনুভূতির গল্পের ভিন্নতা,
কিংবা দিগন্তরেখা বরাবর প্রকৃতির ভাজ,
রবির সম্মিলনে পাহাড়ে পড়া গোধূলি।
এমনই তো ছিল, নাকি ভিন্ন কিছু?
কল্পনার ভেতরে কল্পনা বসত করে।
নীরব কান্না বা বন্যতা মেশানো জীবন—
কোনটি বেশি, কোনটি কম, জানতে ইচ্ছে করে।
বহুদূরে চোখ মেলাতে মেলাতে ভয় লাগে;
হয়তো পরের গল্প আরও ভয়ংকর।
যেখানে মানুষ কস্মিনকালে পৌঁছাবে না,
সেখানে আমি-তুমি, আমাদের গল্প সমান।
ভাবলেশহীন এই সময়ের ব্যাপকতা কোথায়?
সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায় শুধু শূন্যতা।
এখনো অনেক গল্প বাকি, নতুন পথ আসন্ন—
সময় পুরনো হয় বলে, গল্পগুলো জীবন খোঁজে।
(সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫)

অদৃশ্যরেখার পাশে বসে শুধু জানবার চেষ্টা
হাজার বছরের পুরনো গল্পের রং,
বিলুপ্ত মহাদেশের শিল্প আর সংস্কৃতি,
তুমি, আমি আর আমাদের ভেতরকার পার্থক্য।
আরও গহীনে গিয়ে ক্যানভাসে খুঁজি
আবেগ আর অনুভূতির গল্পের ভিন্নতা,
কিংবা দিগন্তরেখা বরাবর প্রকৃতির ভাজ,
রবির সম্মিলনে পাহাড়ে পড়া গোধূলি।
এমনই তো ছিল, নাকি ভিন্ন কিছু?
কল্পনার ভেতরে কল্পনা বসত করে।
নীরব কান্না বা বন্যতা মেশানো জীবন—
কোনটি বেশি, কোনটি কম, জানতে ইচ্ছে করে।
বহুদূরে চোখ মেলাতে মেলাতে ভয় লাগে;
হয়তো পরের গল্প আরও ভয়ংকর।
যেখানে মানুষ কস্মিনকালে পৌঁছাবে না,
সেখানে আমি-তুমি, আমাদের গল্প সমান।
ভাবলেশহীন এই সময়ের ব্যাপকতা কোথায়?
সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায় শুধু শূন্যতা।
এখনো অনেক গল্প বাকি, নতুন পথ আসন্ন—
সময় পুরনো হয় বলে, গল্পগুলো জীবন খোঁজে।
(সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫)
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ব্যবস্থাও এই সংকটকে গভীর করেছে। সম্মাননা প্রদানের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব, নির্বাচনের মানদণ্ড প্রকাশ না করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সীমিত গোষ্ঠীর প্রভাব—এসব কারণে রাষ্ট্রের সদিচ্ছাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এই নির্বাচন কেবল আসনসংখ্যার হিসাব নয়; এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনারও ইঙ্গিত। তরুণ প্রজন্ম, ডিজিটাল রাজনীতি এবং সুশাসনের প্রশ্ন এখন নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দু। সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের জন্যই এটি আত্মসমালোচনা ও নীতিগত পুনর্গঠনের সময়।
আমি রোগীকে বলতে গেলাম। দেখি বউটা কাঁদছে। মেরি ওর নাম। রোগী বলছে, মেরি কেন যে এতটা ঝামেলা করে। ডাক্তার আমাদের চলে যেতে দাও। আমি বললাম, আরেকজন ডাক্তার আছেন যার ওপেনিয়ন নিতে হবে। তিনি তোমাদের চলে যেতে বললে আমি ডিসচার্জ করে দেব, সমস্যা নেই।
তিনি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত নিরলস প্রচারণা চালিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো রাজনৈতিক নেতার সহধর্মিণীর এমন সক্রিয় ও দীর্ঘ সময় মাঠে থাকার নজির খুব কমই দেখা যায়। তিনি শুধু মঞ্চে ভাষণ দেননি; তিনি মানুষের পাশে বসেছেন, তাদের কথা শুনেছেন।